ফুটসালের প্রথম স্বাদ নিতে সোমবার বিকেলে ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ দল। ২ মে ‘বি’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। এছাড়া ভিয়েতনামের বিপক্ষে ৪ মে ও চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে ৬ মে লড়বে তারা।
এএফসির এই আসরে চারটি গ্রুপে ১৫টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল খেলবে শেষ আটে। ফাইভ-এ-সাইডের আসরে ১৪ জন খেলোয়াড়ের ঘুরে-ফিরে খেলার সুযোগ থাকবে। ২০ মিনিট করে দুই অর্ধে খেলা হবে।
ব্যাংককে এবারই প্রথম ফুটসাল খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই বড় কোনও প্রত্যাশা নেই কোচ ও অধিনায়কের। কেবল অভিজ্ঞতা অর্জনের দিকে জোর দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন রবিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা প্রথমবার ফুটসালে খেলতে যাচ্ছি। এটা মেয়েদের জন্য বড় অভিজ্ঞতা অর্জনের হবে। ফুটবল আমরা শুরু করেছিলাম আনাড়ি খেলোয়াড়দের নিয়ে। ফুটসালে কিন্তু আমাদের শুরুটা হচ্ছে ভালো খেলোয়াড়দের নিয়ে।’
এই আসর দিয়ে মেয়েদের পারফরম্যান্সের ধার বাড়বে বিশ্বাস এই কোচের, ‘এই খেলায় গতি বেশি। মনোযোগও দিতে হয় বেশি। এখানে মেয়েদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের উন্নতির সুযোগ থাকবে বেশি। ফুটসালেও আমরা ভালো করতে পারি।’
অধিনায়ক সাবিনারও একই আশাবাদ, ‘আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। প্রতিপক্ষ কেমন আমরা জানি না। তবে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।’