গত রবিবার রিয়ালের কাছে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর ভিয়ারিয়ালের কাছে গার্ড অব অনার পেয়েছে বার্সা। মাঠের লড়াইয়েও তারা আদায় করে নিয়েছে বড় জয়। ফিলিপ কৌতিনিয়ো ও পাউলিনিয়োর গোলে ১৬ মিনিটের মধ্যে ২-০ করে লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা। বিরতির আগে ইনিয়েস্তার দারুণ ক্রস থেকে লিওনেল মেসি করেন এই লিগ মৌসুমের ৩৪তম গোল। শেষ দিকে দেম্বেলে করেন জোড়া গোল। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে বার্সায় যোগ দেওয়ার পর এটাই ছিল তার সেরা পারফরম্যান্স।
১১ মিনিটে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নেওয়া দেম্বেলের শট ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক আসেনহো ঠেকালেও সেটা চলে যায় সামনের দিকে। ফিলিপ্পে কৌতিনিয়ো এগিয়ে এসে খালি জালে বল পাঠান। ৫ মিনিট পর ইনিয়েস্তার শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার মারিও গাসপারের পায়ের ফাঁক গলে লুকাস দিগনের কাছে যায়, তার পাস থেকে ৬ গজ দূর থেকে নেওয়া শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাউলিনিয়ো।
একই জায়গা থেকে ইনিয়েস্তা প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের মাথার ওপর দিয়ে বল তুলে দেন। মেসিকে খুব বেশি কষ্ট করতে হয়নি লক্ষ্যভেদ করতে। ৫৪ মিনিটে পাবলো ফোরলানস একটি গোল শোধ দিলেও বার্সাকে ভোগাতে পারেনি।
ম্যাচের এক ঘণ্টা পার হলে ইনিয়েস্তা বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন। তারপর ৮৭ মিনিটে ইভান রাকিটিচের বানিয়ে দেওয়া বলে চতুর্থ গোল করেন দেম্বেলে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে শেষ শটে ৫ নম্বর গোলটিও করেন তিনি।
রবিবার লেভান্তের বিপক্ষে ও পরের সপ্তাহে রিয়াল সোসিয়েদাদের কাছে হার এড়াতে পারলেই প্রথম দল হিসেবে লা লিগার পুরো মৌসুম অজেয় থাকার কৃতিত্ব গড়বে বার্সা। ৩৬ ম্যাচে ৯০ পয়েন্ট তাদের।
দ্বিতীয়ার্ধে স্বস্তি ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। লুকাস ভাসকেস সেভিয়ার ডিবক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু সের্হিয়ো রামোসের শট ক্রসবারে লাগে। সেভিয়ার জন্য পয়েন্ট সুনিশ্চিত হয় খেলা শেষ হওয়ার ৬ মিনিট আগে। গ্যাব্রিয়েল মেরকাদোর চমৎকার চেষ্টা রুখতে গিয়ে রামোস নিজের জালে বল জড়ান।
বোরহা মায়োরেল ৮৭ মিনিটে রিয়ালের প্রথম গোল করেন। প্রথম পেনাল্টি মিস করা রামোস ৯৫ মিনিটে আবারও পেনাল্টি নেন, তবে ব্যর্থ হননি এবার। দ্বিতীয় গোল পেলেও রিয়ালের পয়েন্ট উদ্ধারের জন্য যথেষ্ট সময় ছিল না।
এই হারের পর দুই নম্বরে ওঠা হলো না রিয়ালের। নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের (৭৫) চেয়ে এখনও ৩ পয়েন্ট পেছনে তারা। ইএসপিএনএফসি