জুলাইয়ের শেষ দিকে ২৭ জনের দল নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিমানে ওঠেন জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ। সিউলে অনুশীলন তো করেছেই, তিনটি দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচও খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হেরে গেলেও পরের দুই ম্যাচ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে শনিবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় পা রেখেছে লাল-সবুজের দল।
জাকার্তায় পৌঁছানোর পর ‘কাতার, উজবেকিস্তান ও থাইল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে মোকাবিলা করতে বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?’ প্রশ্নে জেমি ডে’র আত্মবিশ্বাসী জবাব, ‘অনুশীলনে কোনও ফাঁক রাখেনি দল। এবার কঠোর অনুশীলনের প্রতিফলন মাঠে দেখানোর সময় এসেছে।’ অবশ্য একটা মধুর সমস্যাতেও পড়েছেন কোচ। কোরিয়ায় অনুশীলনে খেলোয়াড়দের একাগ্রতা আর তিন ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখে প্রথম একাদশ নির্বাচন নিয়ে তিনি কিছুটা দ্বিধায়। যদিও তার বিশ্বাস, এশিয়াড শুরু হওয়ার আগেই খুঁজে পাওয়া যাবে সেরা একাদশ।
৬ সপ্তাহ ধরে দলের সঙ্গে থাকার সুবাদে ফুটবলারদের মধ্যে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন কোচ। তিনি বলেছেন, ‘তাদের মধ্যে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে উঠেছে, তারা নিয়মিত জিমেও যাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে এমনটা ছিল না।’
এশিয়াডে শিষ্যরা নিজেদের উজাড় করে দেবে বলেই বিশ্বাস জেমি ডে’র, ‘আশা করি অনুশীলনের মতো একই পারফরম্যান্স দেখা যাবে ছেলেদের কাছ থেকে।’ খেলোয়াড়দের হার না মানার মানসিকতাই আশাবাদী করে তুলেছে বাংলাদেশের ইংলিশ কোচকে।
উজবেকদের মুখোমুখি হওয়ার দুই দিন পর ১৬ আগস্ট বাংলাদেশ খেলবে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে। ১৯ আগস্ট গ্রুপের শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ কাতার।
৬ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ সরাসরি খেলবে শেষ ষোলো অর্থাৎ নকআউট পর্বে। গ্রুপে তৃতীয় হওয়া সেরা চার দলও শেষ ষোলোতে যোগ দেবে তাদের সঙ্গে।