এক ম্যাচ হাতে রেখে ‘বি’ গ্রুপের সেরা হয়ে নকআউটের টিকিট কেটে ফেলেছে প্রথম দুই ম্যাচ জেতা উজবেকিস্তান। গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ টানা দুটি ড্র করা থাইল্যান্ড। ২ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে তারা। অন্যদিকে বাংলাদেশ ও কাতার দুই ম্যাচ থেকে আদায় করেছে একটি করে পয়েন্ট। গ্রুপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতলে শেষ ষোলোর দরজা অনেকটাই খুলে যাবে, সেক্ষেত্রে থাইল্যান্ডকে হারতে হবে উজবেকিস্তানের কাছে। গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে বাংলাদেশের শেষ ষোলোতে যাওয়ার এটাই সহজ সমীকরণ।
তাই জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। আত্মবিশ্বাসী দলটি ৩ পয়েন্টর জন্য মাঠে নামছে। অবশ্য বয়সভিত্তিক ফুটবলে কাতারের বিপক্ষে সর্বশেষ ফল বাংলাদেশের অনুকূলে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে কাতারকে ২-০ গোলে হারানোর রেকর্ড আছে।
আগের দুই ম্যাচের মতোই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইছেন কোচ জেমি ডে। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘আগের মতোই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই। নিজেদের সেরাটা দিয়ে পয়েন্ট অর্জনের লক্ষ্য আমাদের। আশা করছি আমরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাবো, সেটা হবে আমাদের জন্য বিরাট অর্জন।’
খেলোয়াড়দের কাছে কোচের একটাই চাওয়া, ‘আমি খেলোয়াড়দের কাছে যেটা চাইতে পারি, সেটা হলো সেরাটা খেলতে হবে। যদি তারা মাঠে কাজ করে দেখাতে পারে, তাহলে ফলাফল যাই হোক না কেন, আমার আর চাওয়ার কিছু থাকবে না।’
ফিফা র্যাংকিংয়ে কাতার ৯৮তম, সেখানে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে ১৯৪তম স্থানে। র্যাংকিংয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে থাকলেও বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া আশাবাদী, ‘আমার কাছে মনে হয় আমাদের ভালো সুযোগ আছে। যদি প্রাপ্ত সুযোগগুলো ঠিকমতো কাজে লাগানো যায় এবং ফিনিশিং আরও ভালো হয়, তাহলে ইতিবাচক কিছু হবে।’
কাতারকে নিয়ে তার আরও বক্তব্য, ‘আমাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, আমরা সুযোগ পাবো। কাতারের ডিফেন্স কিছুটা নাজুক, সুযোগটা কাজে লাগাতে হবে।’