‘এ’ গ্রুপে গতবারের চ্যাম্পিয়ন নেপালের সঙ্গী হয়েছে ফিলিস্তিন ও তাজিকিস্তান। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের গ্রুপ পর্বের খেলা হবে সিলেটে, আর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল হবে ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। বঙ্গবন্ধু কাপে বাংলাদেশের প্রাপ্তি বলতে ২০১৫ সালের রানার্স-আপ, সেবার মালয়েশিয়ার অলিম্পিক দলের বিপক্ষে ফাইনালে হারতে হয়েছিল। এছাড়া ২০১৬ সালের সর্বশেষ আসরে বিদায় নিতে হয়েছিল সেমিফাইনাল থেকে।
এবার বাংলাদেশের প্রস্তুতি ভালো। অবশ্য বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ নিয়ে ভাবার সময় নেই স্বাগতিকদের। বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে ব্যস্ত সময় পার করছেন সাফ ফুটবল নিয়ে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের ড্রয়ের খবর জানার পরও সাফের প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি, ‘এই মুহূর্তে আমার পূর্ণ মনোযোগ সাফ ফুটবলে। সাফ ফুটবল শেষ হলে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ নিয়ে ভাববো।’
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের খেলা সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। এছাড়া দেশের বাইরে খেলা সম্প্রচারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রতিযোগিতার স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান ‘কে স্পোর্টস’-এর প্রধান নির্বাহী ফাহাদ করিম।
বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘যখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলো আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজন করতে আগ্রহী হয় না, এএফসি আর অন্য সূচির জন্য, সেখানে আমরা উচ্চাভিলাষী হয়ে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করছি। আমরা গর্বিত। এই আসরে এশিয়ার প্রতিটি জোন থেকে আমরা একটি করে দল নিয়ে এসেছি, যাতে সবাই এশিয়ান ফুটবলের স্বাদ নিতে পারে।