২০১৫ সালের সাফে আফগানিস্তান ও মালদ্বীপের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ। ৪-০ ও ৩-১ গোলে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পর ভুটানের বিপক্ষে ৩-০ গোলের সান্ত্বনার জয় পেয়েছিল তারা। ওই ব্যর্থতা নিয়ে মারুফুল বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, ‘অনেক আশা নিয়ে সেবার সাফে খেলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কিছুই মনমতো হয়নি, গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিলাম আমরা। আসলে আমাদের পরিকল্পনায় ভুল ছিল, আর সেজন্য ছিটকে পড়েছিলাম।’
ভুল পরিকল্পনার ব্যাখ্যাও দিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সধারী কোচ, ‘আমরা পাল্টা আক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেললে হয়তো গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতাম না। আফগানদের বিপক্ষে খেলার আগে ভিডিও দেখে যে পরিকল্পনা করেছিলাম, ম্যাচে ঠিক তার বিপরীত খেলেছিল ফুটবলাররা। মালদ্বীপের সঙ্গে ১-১ সমতায় থেকে হারতে হয়েছিল। পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন আমাদের সাফল্য এনে দিতে পারতো।’
সেবারের হতাশা যেন এবার ঢাকায় না ভর করে, সেটাই প্রত্যাশা মারুফুলের। বর্তমান দল নিয়ে আশাবাদী তিনি। এশিয়াডে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট মারুফুলের মন্তব্য, ‘এশিয়ান গেমসে গোল যেন কম হয়, সেদিকে দৃষ্টি ছিল। সে পরিকল্পনায় সফলও হয়েছে দল। কিন্তু সাফ ভিন্ন প্রতিযোগিতা, এখানে পরিকল্পনাও আলাদা করতে হবে।’
দেশের মাটিতে বাংলাদেশকে অন্তত সেমিফাইনালে দেখছেন তিনি, ‘ঘরের মাঠে খেলা, তাই অন্তত সেমিফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ। এমনকি ফাইনালে খেললেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে শিরোপা জয় কঠিন হবে তাদের জন্য।’