সাফের শেষ ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও বাংলাদেশকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু এত বছর পর ওই ম্যাচ কোনও প্রভাব রাখবে মনে করেন না কোচ। বাংলাদেশকে ফেভারিট মেনে ভুটান ও নেপালের গ্রুপে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাচ্ছেন নোগেইরা, ‘আমাদের গ্রুপে বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে ফেভারিট। কারণ তারা নিজেদের মাঠে খেলবে। তাদের ভালো করার সম্ভাবনা আছে। নেপাল ও ভুটানও কম চেষ্টা করবে না। তবে আমরাও আমাদের মতো চেষ্টা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।’
দেশের ফুটবল ফেডারেশনে ‘তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপে’ গত বছরের অক্টোবরে নিষিদ্ধ করা হয় পাকিস্তানকে। নিষেধাজ্ঞা শেষে ১২ মার্চ ফুটবলে ফিরেছে তারা। ৪০ দিনের আবাসিক ক্যাম্প থেকে দল বাছাই করে অংশ নিয়েছে এশিয়ান গেমসে। ওই দল থেকে সাফে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ১০ জন। এত অল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে পাকিস্তান কোচ বলেছেন, ‘আমরা নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরেছি। খেলা থেকে দূরে থাকলে বেশ ক্ষতি হয়। তারপরও আমরা এশিয়াডে খেলেছি। এখন সাফে খেলতে এসেছি। আমাদের প্রথম লক্ষ্য গ্রুপ পর্ব পার করা।’
পাকিস্তান দলে ডেনমার্কের লিগে খেলা তিন খেলোয়াড় আছেন। তাছাড়া বিভিন্ন দেশের লিগে খেলা কয়েকজন এসেছেন ঢাকায়। ব্রাজিলিয়ান কোচের জন্য এই খেলোয়াড়রাই বড় অস্ত্র। নোগেইরা আত্মবিশ্বাসী, ‘দেশের বাইরে খেলা কয়েকজন খেলোয়াড় আছে আমাদের। এছাড়া অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রাও কম নয় দলে। এশিয়াডের আগে চ্যালেঞ্জার্স কাপ নামে একটি আসর হয়েছে। সেখান থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে সবার সমন্বয়ে দল গড়া হয়েছে।’
পাকিস্তানের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে প্রশ্ন করতেই নোগেইরার জবাব, ‘সারা বিশ্বে এই সমস্যা আছে। সেভাবে যদি ধরা হয় তাহলে বলতে হয় ব্রাজিল কিংবা যুক্তরাষ্ট্রসহ সব জায়গায় নিরাপত্তা সমস্যা আছে। আসলে পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলোতে কোনও সমস্যা নেই। তাছাড়া আমার কোনও সমস্যা হচ্ছে না। আফগান সীমান্ত এলাকায় একটু সমস্যা আছে।’