১ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একটু ঝিমিয়ে আসা স্বাগতিকরা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আগুনে রূপে। ৪৮তম মিনিটে দলকে দ্বিতীয় গোল এনে দেন মাহবুবুর রহমান। ডান প্রান্ত দিয়ে দ্রুতগতিতে ভুটানের বক্সের ভেতর ঢুকে পড়ে ডান পায়ের জোড়লো ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া ম্যাচে প্রথম গোলটি এসেছে পেনাল্টি থেকে। প্রথম মিনিটেই কর্নার পায় বাংলাদেশ, সেই কর্নারের সময়ই নিজেদের রক্ষণের মধ্যে ফরোয়ার্ড সাদ উদ্দিনকে ফাউল করেন ভুটানের এক ডিফেন্ডার। তাতে রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি।
সুবর্ণ এই সুযোগটা নষ্ট করেননি তপু বর্মণ। স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন এই ডিফেন্ডার।
গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে ভুটান। ২৪ থেকে ২৬- এই দুই মিনিটে তিনটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল ‘ড্রাগন বয়েজ’। ২৫তম মিনিটে গোল না হওয়ায় ভাগ্যকে দোষ দিতেই পারে তারা। অবশ্য তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বাংলাদেশেরও!
যার গোল এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ, সেই তপু বর্মণ করে বসেন বড় ভুল। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো শট গোলরক্ষক শহীদুল আলমের জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন তপু। কিন্তু ভুল বোঝাবুঝিতে বক্সের ভেতর ফাঁকায় বল পেয়ে যান চিনকো গায়েতশেন। যদিও স্বাগতিকদের ভাগ্য সহায় হওয়ায় তার নেওয়া শটটি চলে যায় পোস্টের ওপর দিয়ে।
মিনিট তিনেক পর বাংলাদেশও পায় ভালো একটি সুযোগ। সাদ উদ্দিনের একক প্রচেষ্টায় ভুটানের বক্সের সামনে থেকে নেওয়া শট প্রতিহত হলেও পরে বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে যান বিপলু আহমেদ। এই উইঙ্গারের নেওয়া আড়াআড়ি শট চলে যায় পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে।
৩৬তম মিনিটে আবারও সুযোগ বাংলাদেশের। এবার কর্নার থেকে উড়ে আসা বল আতিকুর রহমান উড়ে এসে হেড করেছিলেন, যদিও ঠিকমতো ‘কানেক্ট’ করতে না পারায় হতাশায় মাথায় হাত বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হাজির হওয়া দর্শকদের। যদিও দ্বিতীয় মিনিটে পাওয়া গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ-ভুটান এবার দিয়ে পঞ্চমবার মুখোমুখি হয়েছে সাফ ফুটবলে। আগের চারবারে বাংলাদেশের সাফল্যের পাল্লাই ভারি। ভুটানের বিপক্ষে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের জয় তিনটিতে, বাকি ম্যাচটি হয়েছে ড্র।