ভুটান বধের নায়ক ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান সুফিল। তাদের গোলে দুই বছর আগের হারের প্রতিশোধ নিয়েছে বাংলাদেশ। গোলের ধারা পাকিস্তান ম্যাচেও ধরে রাখতে চাইছেন তারা। শুধু এই দুজন নন, সুযোগের সদ্ব্যবহার করে লাল-সবুজ দলকে এগিয়ে নেওয়ার পণ সবার মধ্যে।
বৃহস্পতিবার ‘এ’ গ্রুপে পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলেই বাংলাদেশের সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা জোরদার হবে। এই সুযোগ কেউ হারাতে চান না। ভুটানের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করা ডিফেন্ডার তপু বর্মণ বললেন, ‘পেনাল্টি নেওয়ার আগে কোনও টেনশন কাজ করেনি। আত্মবিশ্বাস ছিল গোল করতে পারব। আসলে শুরু থেকে সবাই এক হয়ে খেলার কারণে জয় এসেছে। জানতাম ভুটানকে হারাতে পারলে সেমিফাইনালে ওঠা সহজ হবে কিছুটা।’
জাতীয় বয়সভিত্তিক দলে দারুণ পারফরম্যান্স মাহবুবুর রহমান সুফিলের। ধারাবাহিকভাবে বয়সভিত্তিক আসরে ভালো করে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ভুটান ম্যাচে দুর্দান্ত ভলি শটে গোল করে সবাইকে অবাক করে দেওয়া সেই সুফিল এখন আরও আত্মবিশ্বাসী, ‘কঠিন বলতে কিছু নেই, নিজের কাছেই সব। নিজের কাজ ঠিকঠাক মতো করতে পারলে সবকিছু সহজ হয়ে যায়। যদি ভালো খেলতে পারি তাহলে ইতিবাচক কিছু হবে, এটা মেনেই খেলে যাচ্ছি। এই গোলের ধারা পাকিস্তানের বিপক্ষেও ধরে রাখতে চাই। সুযোগ পেলে গোল করে দলকে আবারও জেতাতে চাই।’
মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ পাকিস্তানকে সমীহ করছেন। বিশেষ করে তাদের বিদেশি লিগে খেলা খেলোয়াড়দের দিকে তার আলাদা দৃষ্টি, ‘পাকিস্তান ভালো খেলছে। ওদের দলে একাধিক খেলোয়াড় আছে, যারা দেশের বাইরের লিগে খেলে। এখন তাদের বিপক্ষে আমাদের লড়াই করে এগিয়ে যেতে হবে।’
মাশুক মিয়া জনি তো বলেই দিলেন, ‘কোনও দলকে ভয় পেলে চলবে না। সবাইকে এক হয়ে খেলতে হবে। ভুটানের বিপক্ষে যেমন খেলেছি, তেমনটি পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে হবে, তাহলেই জয় আসবে। আর আমাদের সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হবে।’