অতিরিক্ত দর্শক যখন দুর্ভাবনা!

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা মাত্র ১০ হাজারবঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের দুই সেমিফাইনালের ভেন্যু বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা মাত্র ১০ হাজার। ফিলিপাইন-তাজিকিস্তানের প্রথম সেমিফাইনালে হয়তো সমস্যা হবে না। কিন্তু বাংলাদেশ-ফিলিস্তিন ম্যাচে যদি ১০ হাজারের বেশি দর্শক হয়! আয়োজকরা এ নিয়ে দুশ্চিন্তায়।  

২০১০ সালে সাফ মহিলা ফুটবল দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক এই স্টেডিয়ামের। দীর্ঘদিন পর ফুটবল-উৎসবে রঙিন কক্সবাজার শহর। বিলবোর্ড আর ব্যানারে মাঠে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে ফুটবলপ্রেমীদের। একই সঙ্গে গ্যালারি উপচে পড়ার দুর্ভাবনাও চেপে ধরেছে আয়োজকদের।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সদস্য এবং জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি বিজন বড়ুয়ার কণ্ঠে দুশ্চিন্তা ধরা পড়লো স্পষ্ট। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বললেন, ‘স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা বেশ কম, মাত্র ১০ হাজার। যদি অনেক মানুষ খেলা দেখতে আসে তাহলে আমরা বিপদে পড়ে যাবো। যদিও ধারণ ক্ষমতার বেশি টিকিট ছাড়া হয়নি। কিন্তু বেশি দর্শক এলে কী করা যাবে। তাদের তো বিষন্ন মনে বাড়ি ফিরতে হবে।’

সেই সব হতাশ দর্শকের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার বিজন বড়ুয়া জানালেন, ‘যারা টিকিট পাবেন না তাদের স্টেডিয়ামের বাইরে প্রজেক্টরে খেলা দেখানোর কথা ভাবছি আমরা। যদিও এটা এখনও নিশ্চিত নয়। দেখি কী করা যায়। স্টেডিয়ামে দোতলা গ্যালারি না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের সমস্যা হবেই।’

কক্সবাজারের মানুষ খুব ফুটবল-ভক্ত। তার কারণও আছে। ঢাকার বিভিন্ন লিগে এই জেলার অনেক ফুটবলার খেলেন। পেশাদার লিগের দুই স্তরে খেলেন ১৭ জন ফুটবলার। বর্তমান জাতীয় দলেও কক্সবাজারের চার খেলোয়াড় তৌহিদুল আলম সবুজ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সুশান্ত ত্রিপুরা এবং আনিসুর রহমান জিকো আছেন। বাংলাদেশ-ফিলিস্তিন ম্যাচে তাই গ্যালারিতে তিল ধারণের জায়গা না-ও থাকতে পারে।