বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ‘সি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়েছিল আবাহনী। তবে বিরতির আগে তেমন সুযোগ পায়নি। প্রথমার্ধে আবাহনীর বলার মতো সুযোগ একটাই। ৩৫ মিনিটে হাইতির স্ট্রাইকার কেরভেন্স বেলফোর্টের পাস বক্সের ভেতরে পেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড সানডে চিজোবা।
৪৩ মিনিটে জাপানি মিডফিল্ডার ইয়োসুকে কাতোর পাস থেকে আইভরি কোস্টের ফরোয়ার্ড বাল্লো ফামুসার শট ক্রসবার উঁচিয়ে গিয়ে হতাশ করেছে মুক্তিযোদ্ধাকেও।
বিরতির পর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। ৪৭ মিনিটে আবাহনীর দক্ষিণ কোরিয়ান মিডফিল্ডার মিন হিয়ক কো’র শট চলে যায় সাইডবার ঘেঁষে। পরের মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার মিডফিল্ডার মোহাম্মদ সোহেলের জোরালো শট বাধা পায় পোস্টে।
আবাহনীর জয়সূচক গোলের জন্ম ৬৩ মিনিট। বেলফোর্টের লব থেকে সানডের হেড পেয়ে যান বক্সের ভেতরে থাকা মামুনুল। এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডারের বাঁ পায়ের দুরন্ত ভলি আশ্রয় নেয় মুক্তিযোদ্ধার জালে।
গোলের পর ব্যবধান বাড়ানোর দুটো চমৎকার সুযোগ পেয়েছিল আবাহনী। কিন্তু বেলফোর্ট এবং নাবিব নেওয়াজ জীবনের ব্যর্থতায় গোল পায়নি চ্যাম্পিয়নরা।
দলের জয়ে মূল্যবান গোল করে দারুণ খুশি মামুনুল। ম্যাচসেরা খেলোয়াড় বলেছেন, ‘১০ বছর পর আবাহনীতে ফিরেই গোল করে খুব ভালো লাগছে। গোলটার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান সানডের। সামনে আরও ভালো খেলতে চাই।’
দিনের অন্য ম্যাচে ‘বি’ গ্রুপের লড়াইয়ে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ৩-১ গোলে বিজেএমসিকে হারিয়েছে। বিজয়ী দলের তিন গোলদাতা দক্ষিণ কোরিয়ার সিউনগিল পার্ক, রাশিয়ার দেনিস বলশাকভ এবং তরুণ স্ট্রাইকার জাফর ইকবাল। বিজেএমসির একমাত্র গোলটি আবদুল্লাহ আল মামুনের।