ঐতিহ্যবাহী দল হলেও মোহামেডানের সোনালী দিন অনেক দিন ধরেই অতীত। এ মৌসুমেও তেমন ভালো মানের দল গড়তে পারেনি সাদা-কালো শিবির। তবু বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দু-দুবার এগিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল মোহামেডান। কিন্তু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে পেরে ওঠেনি।
১৮ মিনিটে গাম্বিয়ার মিডফিল্ডার ল্যান্ডিং ডারবোর গোলে এগিয়ে যায় মোহামেডান। নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড কিংসলে চিগোজির পাস বসুন্ধরার এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে এসে পড়ে ডারবোর সামনে। তারপরই লক্ষ্যভেদ।
২১ মিনিটে বসুন্ধরার ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মার্কোস ভিনিয়াসের শট বাধা পায় ক্রসবারে। তবে ৭ মিনিট পর নবাগত দলটির হতাশা দূর করেন কোলিন্দ্রেস, পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা নিয়ে আসেন তিনি।
প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। ৬৬ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় মোহামেডান। পেনাল্টি থেকে আবার মোহামেডানের গোলদাতা ডারবো। দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে আক্রমণের ঢেউ তুলেছে বসুন্ধরা। সেই ঢেউ একেবারে ভাসিয়ে দিয়েছে মোহামেডানকে।
৭১ মিনিটে কোলিনদ্রেসের ফ্রি-কিক থেকে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার হোর্হে গোতোরের জোরালো শট আবার সমতা নিয়ে আসে ম্যাচে। তিন মিনিট পর ফরোয়ার্ড তকলিছ আহমেদ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে বেরিয়ে গেলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মোহামেডান।
এরপর আর লড়াই করতে পারেনি ঢাকার ফুটবলের অন্যতম সফল দলটি। ৭৮ মিনিটে মতিন মিয়ার কোনাকুনি শট ম্যাচে প্রথম বারের মতো এগিয়ে দেয় বসুন্ধরাকে। ইনজুরি সময়ে পর পর দুই গোল করে নবাগতদের জয় নিশ্চিত করার কৃতিত্ব ভিনিয়াসের।