প্রথম ৪৫ মিনিট দুর্দান্ত খেলেছে বোর্নমাউথ। ফর্মে থাকা ক্যালাম উইলসনের গোলে ১১ মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। দ্বিতীয় গোলের সুযোগ কয়েকবার নষ্ট করার পর বিরতির আগেই ম্যানইউর আক্রমণে পরাস্ত হয় স্বাগতিকরা। আর শেষ মুহূর্তে আরেকটি গোল খেয়ে হার মানে তারা।
গত কয়েক ম্যাচের মতোই হোসে মরিনহোর দল শুরু করেছিল ধীরে। ভাগ্য ভালো যে ৫ মিনিটের মধ্যে পিছিয়ে পড়েনি তারা। উইলসনের পাস থেকে রায়ান ফ্রেসারের শট সহজে রুখে দেন অতিথি গোলরক্ষক দাভিদ দে গেয়া।
শুরুতেই পিছিয়ে পড়ার শঙ্কাতেও সতর্ক হয়নি ম্যানইউ। তার খেসারত দিয়েছে ১১ মিনিটে। কর্নার থেকে ইউনাইটেড ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করতে পারেনি। রক্ষণে ফাঁক থাকার সুযোগ নিয়ে জুনিয়র স্ট্যানিস্লাসের পাস থেকে বাঁপ্রান্ত দিয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন উইলসন।
লিড নেওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকবার অতিথিদের রক্ষণে হামলে পড়েছে বোর্নমাউথ। কিন্তু কখনও দে গেয়ার দক্ষতা, আবার কখনও ঠিকভাবে শঠ নিতে না পারায় আক্ষেপে পুড়তে হয়েছে তাদের।
তবে হাল ছাড়েনি ম্যানইউ। ৩৫ মিনিটে অ্যালেক্সিস সানচেস ডানপ্রান্ত দিয়ে ঢুকে বল বানিয়ে দেন অ্যান্থনি মার্শালকে। শক্তিশালী শটে ১-১ করেন তিনি। এই গোলেই উজ্জীবিত হয়ে বিরতির পর ফিরে আসে ম্যানইউ।
ম্যাচ ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা হওয়ার একটু আগে অ্যান্ডার হেরেরা ও র্যাশফোর্ডকে বদলি মাঠে নামান মরিনহো। মিডফিল্ডে ফ্রেডের বদলি হয়ে বাড়তি শক্তি যোগান হেরেরা। ৬৫ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করলেও র্যাশফোর্ড ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেন। অ্যাশলে ইয়ংয়ের ফ্রি কিক পোস্টে লাগলে তার শট গোললাইনে দাঁড়িয়ে ঠেকান নাথান আকে। তবে ইনজুরি সময়ে পল পগবার ক্রস স্বাগতিক ডিফেন্ডাররা বিপদমুক্ত করতে পারেনি। তাতে বাঁ পায়ের শটে ঠিক গোলপোস্টের সামনে থেকে লক্ষ্যভেদ করেন র্যাশফোর্ড।
এই জয়ে ১১ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৭ নম্বরে উঠে এসেছে ম্যানইউ। সমান পয়েন্টে ঠিক তাদের উপরে বোর্নমাউথ।