‘ডি’ গ্রুপে তাই জমজমাট লড়াইয়ের আভাস। প্রত্যেক দলের দুটি করে ম্যাচ শেষে শেখ জামাল ও বসুন্ধরার সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট করে, মোহামেডানের ৩ পয়েন্ট। তিন দলের সামনেই এখন কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সুযোগ। টানা দুই ম্যাচ হেরে নোফেলের শেষ আটে ওঠার আশা শেষ। গ্রুপের শেষ দুই ম্যাচে মোহামেডান খেলবে শেখ জামালে বিপক্ষে, আর বসুন্ধরার প্রতিপক্ষ নোফেল।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অষ্টম মিনিটে এগিয়ে গেছে বসুন্ধরা। কিরগিজস্তানের মিডফিল্ডার বক্তিয়ার দুইশোবেকভের কাটব্যাক থেকে গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মার্কোস ভিনিসিয়াস।
চার মিনিট পরই সমতা নিয়ে এসেছে শেখ জামাল। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড সলোমান কিংয়ের বুলেট গতির শট চলে গেছে বসুন্ধরার জালে।
মাত্র ১২ মিনিটের মধ্যে দুই গোল ইঙ্গিত দিয়েছে দুর্দান্ত ম্যাচের। আর গোল না হলেও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে দারুণ উপভোগ্য ছিল লড়াই।
বিরতির মিনিট খানেক আগে সলোমনের সামনে এসেছিল আরেকটি সুযোগ। কিন্তু বসুন্ধরার গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকোকে একা পেয়েও তিনি গোল করতে পারেননি, শট নিয়েছেন জিকোর শরীর লক্ষ্য করে।
দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলের আক্রমণে ভাটা পড়েনি। ৫৮ মিনিটে কোস্টারিকান ফরোয়ার্ড দানিয়েল কোলিন্দ্রেসের শট সাইড বারে বাধা পেয়ে হতাশ করেছে বসুন্ধরাকে। পরের মিনিটে সলোমন আরও একবার গোলকিপারকে একা পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ৬৫ মিনিটে ভিনিসিয়াসের জোরালো শট চলে গেছে শেখ জামালের ক্রসবার উঁচিয়ে। এভাবে ব্যর্থতার খেলায় মেতে ওঠায় কোনও দলই জয়োৎসব করতে পারেনি।