ফেডারেশন কাপের ফাইনাল খেলার পর ফেভারিট হয়েই স্বাধীনতা কাপ খেলতে নেমেছিল আবাহনী ও বসুন্ধরা। কিন্তু নিয়তি তাদের মুখোমুখি করে দিয়েছে সেমিফাইনালেই। শিরোপার লড়াই থেকে ছিটকে পড়তে হবে যে কোনও এক দলকে।
এই ম্যাচে আবারও নজরে থাকবে ফেডারেশ কাপের শীর্ষ গোলদাতা সানডে চিজোবা ও বিশ্বকাপ তারকা দানিয়েল কোলিনদ্রেসের ওপর। তাছাড়া ডাগআউটে ট্যাকটিক্যাল লড়াই হবে বসুন্ধরার স্প্যানিশ কোচ ওস্কার ব্রুজন ও আবাহনীর নতুন পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমোসের মধ্যে।
কোয়ার্টার ফাইনালে কোলিনদ্রেস ও সানডের ফিটনেস নিয়ে দুই কোচই শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু সুখবর হলো, টানা দ্বিতীয় ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দুই দলই পাচ্ছে তাদের প্রাণভোমরাকে।
যদিও ব্রুজন ইনজুরির কারণে তার মূল স্প্যানিশ ডিফেন্ডার হোর্হে গোতোর ব্লাস ও ফর্মে থাকা উইঙ্গার মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে পাচ্ছেন না। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়াস কস্তাকে ফিরে পাচ্ছে বসুন্ধরা।
অন্যদিকে আবাহনীও আছে তাদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে না পাওয়ার শঙ্কায়। জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মন অনিশ্চিত। মিডফিল্ডার আতিকুর রহমান ফরাহদও প্রস্তুত নয়। কিন্তু মামুনুল ইসলামকে পাওয়া যাবে জানা গেছে।
ফেডারেশন কাপের ফাইনালে আকাশী নীল জার্সিধারীরা ৩-১ গোলে বসুন্ধরাকে হারিয়েছিল। কিন্তু সেটা এখন অতীত জানালেন আবাহনীর টিম ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু, ‘ফেডারেশন কাপের কথা আমরা চিন্তা করছি না। এটা ভিন্ন একটা টুর্নামেন্ট, আর নতুন খেলা- একেবারে ভিন্ন পরিস্থিতি। আমাদের মনোযোগ ম্যাচটি জিতে ফাইনালে যাওয়ায়।’
আবাহনী না ভাবলেও ফেডারেশন কাপের ম্যাচ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে বসুন্ধরা। দলটির টিম ম্যানেজার বায়েজীদ আলম জুবায়ের নিপু বলেছেন, ‘ফেডারেশন কাপের ফাইনালের ভুলগুলো নিয়ে আমরা কাজ করেছি। আমরা চেষ্টা করব সেগুলো না করার। আমাদের আসল কাজ হবে তাদের বেশি জায়গা না দেওয়া।’