সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অষ্টম মিনিটে সিও জুনাপিওর গোলে এগিয়ে যায় রহমতগঞ্জ। মিডফিল্ডার রাকিবুল ইসলামের পাস ধরে, এগিয়ে আসা গোলকিপার মোহাম্মদ নাইমকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন কঙ্গোর এই ফরোয়ার্ড।
২০ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েও সমতা ফেরাতে পারেনি শেখ জামাল। গাম্বিয়ার ফরোয়ার্ড সলোমন কিংয়ের শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন রহমতগঞ্জের গোলকিপার আরিফুল ইসলাম।
তবে ৪০ মিনিটে দুর্দান্ত গোলে সমতা নিয়ে আসে শেখ জামাল। ডিফেন্ডার মনজুরুর রহমান মানিকের ফ্রি-কিকে হেড করেন কিরগিজস্তানের ফরোয়ার্ড ডেভিড ব্রুস। বল শূন্যে থাকা অবস্থা চোখধাঁধানো বাইসাইকেল কিকে জালে পাঠিয়ে দেন সলোমন।
বিরতির পর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে লড়াই জমে উঠলেও গোল হচ্ছিল না কিছুতেই। অবশেষে ৮৩ মিনিটে গোলের দেখা পায় শেখ জামাল। সলোমনের পাস ধরে বক্সে ঢুকে গোল করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লুসিয়ানো পেরেজ।
তবে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি ধানমন্ডির ক্লাবটি। ইনজুরি সময়ে জুনাপিওর ক্রস থেকে হেড করে রহমতগঞ্জকে মূল্যবান একটি পয়েন্ট এনে দেওয়ার কৃতিত্ব নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার মানডে ওসাজির।
ম্যাচ শেষে রহমতগঞ্জের কোচ সৈয়দ গোলাম জিলানি বলেছেন, ‘আমরা তিন পয়েন্টের জন্য মাঠে নেমেছিলাম। তবে আমি খুশি যে দল হার এড়াতে পেরেছে।’
জয় হাতছাড়া হলেও শেখ জামালের নাইজেরিয়ান কোচ জোসেফ আফুসি হতাশ নন, ‘শূন্য পয়েন্টের চেয়ে এক পয়েন্ট ভালো। আজ আমাদের দল আগের চেয়ে ভালো খেলেছে, তবে আরও ভালো খেলা উচিত ছিল। আশা করি, সামনে আরও ভালো খেলবে। এখনই হতাশ হওয়ার কিছু নেই।’