মিরালেম পিজানিচ ও এমরে ক্যানের গোলে জিতেছে জুভেন্টাস। নাপোলির চেয়ে ১৬ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষে তারা। ১২ ম্যাচ হাতে রেখে সম্ভাব্য ৭৮ পয়েন্টে ৭২টি নিয়ে টানা অষ্টম শিরোপার হাতছানি পাচ্ছে তুরিন ক্লাব।
২৫তম মিনিটে নাপোলি গোলরক্ষক অ্যালেক্স মেরেৎ মাঠ ছাড়লে প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। এরপরই তারা হারায় পিজানিচকে এবং নাপোলির হোসে ক্যালেহন শোধ দেন একটি গোল। ইনসিগনে ব্যর্থ না হলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারতো স্বাগতিকরা।
ঘটনাবহুল ম্যাচে শুরুতে বড় ধরনের হোঁচট খায় নাপোলি। তাদের ফুল ব্যাক কেভিন মালকুইতের ব্যাকপাস কেড়ে নিয়ে আক্রমণ চালান ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে। তাকে ঠেকাতে মেরেৎ বক্সের বাইরে চলে আসেন এবং পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড মাটিতে পড়ে যান। নাপোলি গোলরক্ষককে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন মনে করেননি তিনি। যদিও রিপ্লেতে দেখা গেছে রোনালদো গোলরক্ষককে টপকাতে লাফ দিতে গিয়ে পড়ে গেছেন, মেরেৎ তাকে স্পর্শও করেননি।
মেরেৎ লাল কার্ড দেখায় নাপোলি স্ট্রাইকার আরকাদিউস মিলিক নিজেকে উৎসর্গ করেন। গোলপোস্টে বদলি নামেন দাভিদ ওসপিনা। নেমেই পরীক্ষা দিতে হয় তাকে। ওই ঘটনার কারণে পাওয়া ফ্রি কিক থেকে ২৮ মিনিটে পিজানিচ গোল করেন। দারুণ হেডে ৩৯ মিনিটে ক্যান ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে। ৪৭ মিনিটে হ্যান্ডবলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় মাঠ ছাড়তে হয় পিজানিচকে। জুভ ডিফেন্ডার জর্জিও কিয়েল্লিনিকে ফাঁকি দিয়ে ইনসিগনের বাঁকানো ক্রসে ক্যালেহন ব্যবধান কমান।
স্বাগতিকরা এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার সুযোগ পায়। ৮২ মিনিটে নিজেদের বক্সে হ্যান্ডবল করেন জুভেন্টাসের অ্যালেক্স সান্দ্রো। প্রযুক্তির ব্যবহারে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ইনসিগনের স্পট কিক শট গোলপোস্টে লাগলে হার মানতে হয় নাপোলিকে। গোল ডটকম