২০০৪ সালের ইউরোতে দুর্দান্ত খেলেও শিরোপা জেতা হয়নি পর্তুগালের। ফাইনালে গ্রিসের বিপক্ষে হেরে শিরোপা হারায় তারা। সেবার রুই কোস্তা সতীর্থ হিসেবে পেয়েছিলেন ১৯ বছর বয়সী রোনালদোকে। তরুণ এক খেলোয়াড়ের মধ্যে সাবেক এই প্লে মেকার দেখেছিলেন জয়ের ক্ষুধা। আর কোনও ফুটবলারের মধ্যে যেটা কখনও দেখেননি তিনি।
ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় ইতালিয়ান লিগে কাটানো কোস্তা বলেছেন, ‘কী পার্থক্য? আকাঙ্ক্ষার জায়গাটায়। ওর (রোনালদো) মতো ক্ষুধার্ত চ্যাম্পিয়ন আমি কখনও দেখিনি। প্রত্যেকটা ম্যাচ খেলে সে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ মনে করে।’
২০০৪ সালের ইউরোর স্মৃতি রোমন্থন করলেন সাবেক এই প্লে মেকার, “২০০৪ সালের ইউরোতে আমি ক্রিস্তিয়ানোর সঙ্গে খেলেছি। ও তখন খুব ছোট, তবে আমরা সবাই বুড়ো হয়ে গিয়েছিলাম। আমরা সবাই জানতাম সে ব্যালন ডি’অর জিতবে।” সঙ্গে আফসোসও ঝরলো কোস্তার কণ্ঠে, ‘ক্রিস্তিয়ানো ছিল পাগলাটে ড্রিবলার। প্রত্যেক অনুশীলন সেশনে সে তার ড্রিবল দেখাতো এবং প্রত্যেকবারই ভিন্নভাবে। দুর্ভাগ্যবশত সিআরসেভেনকে অ্যাসিস্ট করার খুব বেশি সুযোগ পাইনি আমি।’
২০১৮ সালের বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পর্তুগাল বিদায় নেওয়ার পর জাতীয় দল থেকে স্বেচ্ছায় বাইরে ছিলেন রোনালদো। ‘নির্বাসন’ কাটিয়ে শুক্রবারই প্রথম মাঠে নেমেছেন তিনি। যদিও ইউরো বাছাইয়ের শুরুটা ভালো হয়নি সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকার। ঘরের মাঠে পর্তুগাল ড্র করে ইউক্রেনের সঙ্গে। গোল ডটকম