বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের ফাইনালে সিলেটের জৈন্তাপুরের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১-০ গোলে হারিয়েছে নীলফামারী সদরের দক্ষিণ কানিয়ালখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে। বিজয়ী দলের হয়ে প্রথমার্ধেই জয়সূচক গোলটি করে সালমান আহমেদ।
দলকে শিরোপা জেতাতে পেরে সালমান ভীষণ খুশি, ‘আসলে সত্যিই আমি আশা করতে পারিনি এত বড় টুর্নামেন্টে খেলব। আমার খুব ইচ্ছা ছিল এরকম একটা টুর্নামেন্টে খেলার। খেলতে পেরে বেশ ভালো লাগছে। তারপর আবার আমার গোলেই দল জিতেছে। কোচ আমাদের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। সামনে যদি আরও সুযোগ-সুবিধা পাই, তাহলে অনেক বড় ফুটবলার হতে চাই। বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলতে চাই।’
হরিপুর স্কুলের কোচ মো. শরীফ উদ্দিন ফাইনাল জিতে উচ্ছ্বসিত, ‘আমাদের এলাকার মানুষ খুবই খেলা পাগল। গত কয়েক মাস ধরে আমরা অনুশীলন করে আসছি। ছেলেরা ভালো খেলেছে। স্কুলের শিক্ষকরা সাহায্য করেছে। সবার সহযোগিতায় আজ আমরা ফাইনাল জিতেছি।’
ছেলেদের প্রতিযোগিতার পর বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনালে ময়মনসিংহের নান্দাইলের পাঁচরুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১-০ গোলে হারিয়েছে লালমনিরহাট পাটগ্রামের টেপুরগাড়ী বি কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রি-কিক থেকে দলকে জয় এনে দেয় প্রমি আক্তার তাসমি।
কোচ মকবুল হোসেন শিরোপা জেতার লক্ষ্য নিয়ে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। সফল হওয়ায় উল্লাসটা তার একটু বেশিই, ‘গতবার রানার্স-আপ হয়েছিলাম। এবার শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে সফল হয়েছি। এজন্য খেলোয়াড়দের অবদান বেশি। তারা বেশ পরিশ্রম করেছে। এছাড়া আমি এর আগে কলসিন্দুর স্কুলে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে অবদান রেখেছি।’
দুই বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল পেয়েছে ৩ লাখ টাকা করে। রানার্স-আপ ২ লাখ ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী পেয়েছে ১ লাখ টাকা করে। এছাড়া দুই বিভাগে সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতাও পেয়েছে পুরস্কার।