চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার ইংল্যান্ডের রাজত্ব। কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা আট দলের চার দলই ইংল্যান্ডের। শেষ আটের ড্র ভাগ্য এক ম্যাচ বানিয়েছে ‘অল ইংলিশ’ কোয়ার্টার ফাইনাল। মঙ্গলবার সেই ম্যাচের প্রথম লেগ জিতেছে টটেনহাম। ঘরের মাঠ টটেনহাম স্টেডিয়ামে সন হিয়াং-মিনের একমাত্র লক্ষ্যভেদে ম্যাচটিতে পেয়েছে তারা ১-০ গোলের জয়। বিপরীতে চমৎকার পারফর্ম করলেও হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ম্যানসিটিকে। অবশ্য ফিরতি লেগ ঘরের মাঠে বলে আশাবাদী হতে পারেন ম্যানসিটির সমর্থকরা।
ম্যানচেস্টারের ক্লাবটির হারে কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন সের্হিয়ো আগুয়েরো। আর্জেন্টা্ইন ফরোয়ার্ডের পেনাল্টি মিসের কারণেই তো এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে সিটিজেনদের। ম্যাচ ঘড়ির দশম মিনিটে রহিম স্টারলিং ফাউলের শিকার হলে রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। কিন্তু স্পট কিক থেকে লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন আগুয়েরো। ডান দিক দিয়ে নেওয়া তার কিকটি দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন স্পার্স গোলরক্ষক উগো লরি।
এরপর দুই দলই সুযোগ তৈরি করেছে বেশ কয়েকটি। কিন্তু সফল না হওয়ায় প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে। এরপর দ্বিতীয়ার্ধেও সুবিধা করতে পারেনি তারা। অতঃপর ৭৮ মিনিটে আসে ম্যাচের একমাত্র গোলটি, যখন চমৎকার এক গোল করে টটেনহামকে এগিয়ে নেন সন।
চোটের কারণে চিকিৎসা নিতে মাঠের বাইরে গিয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড। ফিরে এসে প্রথমবার বল পায়ে ছোঁয়াতেই পেয়ে যান ম্যাচ জেতানো গোলটি। বক্সের বাইরে থেকে ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের বাড়ানো পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দারুণ দক্ষতায় বাঁ পায়ের জোরালো শটে করেন লক্ষ্যভেদ। তার গোলের আগেই বলের সীমানা পেরিয়ে যাওয়ার আবেদেন ম্যানসিটি করলেও ভিএআরে বহাল রাখা হয় গোলের সিদ্ধান্ত।
ওই গোলটাই কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে জয় এনে দেয় টটেনহামকে। ম্যানসিটির মাঠে এগিয়ে থাকার আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামতে পারবে তারা।
এরপর ২৬ মিনিটে লিভারপুল পেয়ে যায় দ্বিতীয় গোল। আগের গোলে অ্যাসিস্ট করা ফিরমিনো এবার নাম তোলেন স্কোরশিটে। ট্রেন্ট অ্যালেক্সান্ডার-আর্নল্ডের পাস ধরে ছোট বক্সের সামনে থেকে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড সহজেই করেন লক্ষ্যভেদ। পরের সময়ে আর কোনও গোল না হওয়ায় ২-০ ব্যবধানে জিতে প্রথম লেগ শেষ করেছে লিভারপুল।