ওই ম্যাচে রেফারিকে তিনবার লাল কার্ড বের করতে হয়েছিল। ৫৩ মিনিটে আবাহনীর পক্ষে একটি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত গেলে দুই দলের খেলোয়াড়রা আগ্রাসী হয়ে ওঠে। আবাহনীর মাসিহ সাইগানি ও সাইফের ইমেরি বেয়িসেঙ্গেকে মাঠের বাইরে যাওয়ার নির্দেশ দেন রেফারি। ৪-১ গোলে হারের পর মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেননি জামাল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর রেফারির সঙ্গে তর্ক করায় লাল কার্ড দেখেন অধিনায়কও। পরে মিডিয়াতেও রেফারিং নিয়ে সমালোচনা করেছেন জাতীয় দলের এই মিডফিল্ডার। ঘটনার তিন দিন পর দেশের শীর্ষ ফুটবল সংস্থা তাকে নোটিশ পাঠালো।
নোটিশের জবাব পাঠাতে হাতে দুই দিন সময় পাচ্ছেন জামাল। আাগমী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে কারণ দেখাতে হবে তাকে।। এনিয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘জামাল ভূঁইয়া বাফুফের আচরণবিধি ভঙ্গ করেছে। বাফুফের অধীনে কোনও খেলোয়াড় কিংবা কোচ মিডিয়াতে সমালোচনা করতে পারেন না। তাই জামালকে শোকজ করা হয়েছে। তাকে দুইদিন সময় দেওয়া হয়েছে জবাব দেওয়ার জন্য। উত্তর সন্তোষজনক না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ডিসিপ্লিনারি কমিটি।’