মতিন মিয়ার আক্ষেপ

মতিন মিয়াগত মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসকে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন করতে ১১ গোল করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মতিন মিয়া। স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় ঠিক নাবীব নেওয়াজ জীবনের পরই তার স্থান। ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত খেললেও জাতীয় দলে নিয়মিত না হতে পারার আক্ষেপ এই স্ট্রাইকারের।

শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের প্রথম ম্যাচেও গোল করেছেন মতিন। সিলেটের ‘খ্যাপ’ ফুটবল থেকে উঠে এসে প্রিমিয়ার লিগে তার অভিষেক হয় সাইফ স্পোর্টিংয়ের জার্সিতে। সেখানে দুই মৌসুম কাটিয়ে গত বছর বসুন্ধরার হয়ে সাবলীল পারফরম্যান্স তার। কিন্তু জাতীয় দলে সুযোগই পাচ্ছেন না ঠিকমতো। বেশির ভাগ সময় বেঞ্চে বসে থাকতে হচ্ছে তাকে।

জাতীয় দলে জায়গা পেয়েও নিয়মিত খেলতে না পারার কষ্ট মতিনের মনে, ‘জাতীয় দলের স্কোয়াডে থেকেও খেলতে না পারলে তো খারাপ লাগেই। তবে আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। ঘরোয়া পর্যায়ে নিয়মিত গোল পাচ্ছি। আমার বিশ্বাস জাতীয় দলে আরও আগে থেকে নিয়মিত খেলার সুযোগ থাকলে সেখানেও গোল করতে পারতাম।’

তবে মতিন এখনই আশা ছাড়ছেন না। জেমি ডের একাদশে ডাক পাওয়ার অপেক্ষায় তিনি, ‘হয়তো কোচ মনে করেন, আমার চেয়ে অন্যরা ভালো করবে। তবে সবসময় অপেক্ষায় থাকি, নিজেকে প্রস্তুত রাখি যেন কোচ যখনই বলবেন, তখনই খেলতে পারি।’

শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপে আরও গোল করতে চান মতিন। গত বছর বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে অভিষেক হওয়া এই ফরোয়ার্ড উজ্জীবিত, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমার কোনও গোলই ছিল না, এটা আমার প্রথম গোল। তাই খুব ভালো লাগছে। এই গোল আমাকে আরও উজ্জীবিত করবে, আত্ববিশ্বাস আরও বাড়াবে।’

গোকুলাম এফসির বিপক্ষে গোল পেলেও হারের যন্ত্রণায় কাতর মতিন, ‘নিজে গোল পেলেও দল হারায় খারাপ লাগছে। আমার যে খারাপ খেলেছি, তা কিন্তু না। তবে প্রতিপক্ষ দল আসলে খুব শক্তিশালী। আমাদের সমস্যা যেটা হয়েছে, জাতীয় দল থেকে ফেরার পর বসুন্ধরার হয়ে আমরা মাত্র তিনদিন একসঙ্গে অনুশীলন করেছি। তাই হয়তো বোঝাপড়ায় খানিকটা সমস্যা ছিল। তবে পরের দুই ম্যাচে আমরা চেষ্টা করবো ঘুরে দাঁড়াতে, নয়তো সেমিফাইনালে খেলা কঠিন হয়ে যাবে।’