নতুন জার্সি, নতুন আশা তপু-ফাহাদের

তপু বর্মণ ও আতিকুর রহমান ফাহাদ (ডানে)দুজন ছিলেন ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের অন্যতম প্রধান দুই রক্ষণস্তম্ভ। কিন্তু গত মৌসুমে চোট তাঁদের মাঠের বাইরেই রেখেছিল বেশির ভাগ সময়। এবার চোট কাটিয়ে ডিফেন্ডার তপু বর্মণ ও ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার আতিকুর রহমান ফাহাদ প্রস্তুত। প্রায় আট মাস পর তাঁরা মাঠে নামার অপেক্ষায়। আবাহনীর জার্সিতে অবশ্য নয়, দেখা যাবে তাঁদের বসুন্ধরা কিংসের জার্সিতে।

গত মৌসুমে দুজনেই এমন সময় চোটে পড়েন, যখন তাঁদের ক্লাব ও জাতীয় দলের সামনে ছিল গুরুত্বপূর্ণ সব ম্যাচ। দু’জনের পায়ে অস্ত্রোপচার হওয়াতে মাঠেই আর নামা হয়নি। এমন চোটাঘাতে বাইরে চলে যাওয়ায় হতাশা গ্রাস করছিল। কঠোর পরিশ্রমের পর আবার খেলায় ফিরতে চলেছেন তাঁরা, নতুন মৌসুমটা তাঁদের জন্য নিজেদের ফিরে পাওয়ার মিশন।

তাই দুজনই মাঠে ফিরতে ব্যাকুল হয়ে আছেন। তপু যেমনটি বলেছেন, ‘এতদিন নিজেকে নতুন করে তৈরি করার মিশনে ছিলাম। আমাকে ফিরতেই হবে, এমন চ্যালেঞ্জ নিয়ে সকাল-বিকাল ঘাম ঝরিয়েছি। নতুন দলের হয়ে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছি। এখন বলতে পারেন শতভাগ ফিট। ফেডারেশন কাপের শুরু থেকেই খেলার লক্ষ্য আমার।’

ঘরোয়া মৌসুমের পাশাপাশি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও খেলা হয়নি তপুর। ওই দুঃখটা তাঁকে এখনও তাড়া করে, ‘ইনজুরির কারণে প্রিমিয়ার লিগের অনেক ম্যাচই খেলতে পারিনি। এ ছাড়া এএফসি কাপেও ছিলাম দর্শক। মনে করেছিলাম, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শুরুতে খেলবো। সেটাও হয়নি। এখন কী আর বলার আছে। নতুন রূপে ফেরার জন্য চেষ্টা করছি। ফেডারেশন কাপে ভালো খেলতে পারলে আবারও জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন দেখি।’

তপু এএফসি কাপে খেলতে না পারলেও খেলার সুযোগ এসেছিল ফাহাদের সামনে। তবে চেন্নাইয়ান এফসির বিপক্ষে পায়ে আঘাত পাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত দলীয় সাফল্যের সঙ্গী হতে পারেননি।

নতুন দল বসুন্ধরার জার্সি গায়ে চাপাতে তর সইছে না ফাহাদের, ‘ইনজুরির পর অনেক পরিশ্রম করতে হচ্ছে। মাঠের বাইরে থাকতে বেশ কষ্ট হয়েছে। তারপরেও হতোদ্যম হইনি। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে চ্যালেঞ্জ নিতেই হচ্ছে। আসলে যেকোনও জায়গায় খেলাটাই চ্যালেঞ্জের। আমি চেষ্টা করবো নিজের সেরাটা দেয়ার। সেই সঙ্গে আবারও জাতীয় দলে ফিরতে চাই।’