জয় ছাড়াই গ্রুপ পর্ব শেষ করলো রহমতগঞ্জ। এরপরও ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে তারা ২ পয়েন্ট নিয়ে। একটি করে পয়েন্ট নিয়ে আগামী শুক্রবার সাইফ ও শেখ জামালের ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে এই গ্রুপের খেলা। ওই ম্যাচেই নির্ধারণ হবে কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে কোন দল। যে কোনও দল জিতলেই তাদের সঙ্গে শেষ আটে উঠবে রহমতগঞ্জ।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দুই দলই সুযোগ তৈরি করে। শেখ জামালের গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড সলোমন কিং ও রহমতগঞ্জের মোমোদু বাহ অল্পের জন্য দলের স্কোর পাল্টাতে পারেননি। সলোমনের দুটি চেষ্টা গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। আর বাহকে প্রথমবার রুখে দেন প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার এবং বিরতির কয়েক মিনিট আগে গোলকিপার জিয়াউর রহমান।
বিরতির পর আক্রমণ আরও শাণিত করে রহমতগঞ্জ। এর সুফল তারা পায় ম্যাচ ঘড়ির কাঁটা ঘণ্টা পার হতেই। বাহের কর্নার কিক জিয়া ফিরিয়ে দিলেও জটলার মধ্যে থেকে সুযোগ বুঝে লক্ষ্যভেদ করেন কামারা ইউনুসা। এক গোল খেয়েও আশা হারায়নি শেখ জামাল। বরং পাল্টা জবাব দেয় তারা। ৭৬ মিনিটে মোজাম্মেল হোসেনের পাসে ওসাইজি মানডে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে দলকে সমতায় ফেরান।
লিড শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে না পারায় হতাশ রহমতগঞ্জের কোচ গোলাম জিলানী, ‘এই ম্যাচটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। জিতে ৩ পয়েন্ট পেলে ভালো হতো। তবে ছেলেদের চেষ্টায় আমি সন্তুষ্ট। দেখা যাক, গ্রুপের শেষ ম্যাচে কী হয়! ওই ম্যাচেই তো নির্ভর করছে আমাদের কোয়ার্টার ফাইনাল ভাগ্য।’
পয়েন্ট আদায় করতে পেরে খুশি শফিকুল ইসলাম মানিক। গ্রুপের শেষ ম্যাচের আগে চার দিন হাতে পাচ্ছেন শেখ জামাল কোচ। সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে তার ভালো করার আশা, ‘মৌসুমের প্রথম ম্যাচ বলে তেমন ভালো খেলতে পারেনি দল। আস্তে আস্তে ঠিক হবে আশা করি। নিজেদের ভুলে গোল খাওয়ার পরও পাল্টা গোলে ম্যাচে ফিরেছি। এখন শেষ ম্যাচ ভালো খেলে নকআউটে যেতে চাই।’