ব্যালন ডি’অর না পেয়ে হতাশ ফন ডাইক

ভার্জিল ফন ডাইকঅল্পের জন্য ব্যালন ডি’অরটা জেতা হয়নি ভার্জিল ফন ডাইকের। লিভারপুলের ডাচ ডিফেন্ডার ৭ ভোটে হেরে যান লিওনেল মেসির কাছে। এই ব্যর্থতা হতাশ করেছে উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়কে।

গত ২ ডিসেম্বর প্যারিসে জমকালো অনুষ্ঠানে ৬৮৬ পয়েন্ট নিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠ ব্যালন ডি’অর জেতেন মেসি। বার্সেলোনাকে টানা দ্বিতীয় লা লিগা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। স্প্যানিশ লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পিচিচি ট্রফিও হাতে নেন তিনি।

আর পুরো মৌসুম ফন ডাইক রক্ষণভাগ দারুণভাবে সামাল দিলেও মাত্র এক পয়েন্টের জন্য প্রিমিয়ার লিগ জেতা হয়নি লিভারপুলের। অবশ্য চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা পেতে অলরেডদের জার্সিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন প্রিমিয়ার লিগ ও পিএফএ’র বর্ষসেরা খেলোয়াড়। উয়েফা নেশনস লিগে নেদারল্যান্ডসকে তোলেন ফাইনালে। যদিও এসব ব্যালন ডি’অর অর্জনে যথেষ্ট হয়নি।

কিন্তু প্রথম ডিফেন্ডার হিসেবে ব্যালন ডি’অর জেতার আশা নিয়ে প্যারিসের ঝলমলে আয়োজনে হাজির হয়েছিলেন ফন ডাইক। তা পূরণ না হওয়ায় হতাশ ২৮ বছর বয়সী এ ফুটবলার। এ নিয়ে ডাচ ডিফেন্ডারের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে ‘দ্য মিরর’, ‘অল্প হলেও আমি হতাশ। যাই হোক, আমি ওই আয়োজনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এটা ছিল দারুণ একটা রাত।’

ফিফা দ্য বেস্ট ও ব্যালন ডি’অরে মেসি-রোনালদোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারাও ফন ডাইকের কাছে গর্বের, ‘আমি এখনও মনে করি, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আইকনদের সঙ্গে লড়াই করাও বিরাট অর্জন।’ ব্যালন ডি’অর দেওয়ার রাতে ছিলেন না রোনালদো। মেসির সঙ্গে কথা হয়েছে ফন ডাইকের, ‘ওই রাতে মেসির সঙ্গে আমি কথা বলেছিলাম। আমাদের মধ্যে খুব বেশি কথা হয়নি, কারণ সে ইংরেজিতে খুব একটা কথা বলতে পারে না। কিন্তু অল্প কথাতেই উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম, দুজন ভিন্ন প্রান্তের হলেও আমাদের মধ্যে শ্রদ্ধা আছে।’