‘ডি’ গ্রুপে দুই ম্যাচ শেষে ১ জয় ও ১ ড্রতে মুক্তিযোদ্ধার ৪ পয়েন্ট। অন্যদিকে টানা দুই হারে বারিধারার পয়েন্টের ঘর এখনও খালি। বিদায় নিশ্চিত হওয়ায় শেষ ম্যাচটি তাদের জন্য কেবলই নিয়মরক্ষার।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণ চালিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা। ১৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার ভালো সুযোগ পেয়েছিল তারা। কিন্তু ক্যামেরুনের পল এমিলের শট গোলকিপার আজাদ হোসেনের শরীরে লেগে প্রতিহত হলে উৎসব হয়নি মুক্তিযোদ্ধার ডাগআউটে। ৩৬ মিনিটে পল এমিলের আরেকটি চেষ্টা ব্যর্থ হয় বারিধারা গোলকিপারের দুর্দান্ত সেভে।
খেলার ধারার বিপরীতে ৪০ মিনিটে গোল হজম করে মুক্তিযোদ্ধা। ল্যান্ডিং দারবোর লক্ষ্যভেদে লিড নেয় বারিধারা। আরিফ হোসেনের পাস ধরে গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে ডান পায়ের জোরালো শটে করেন লক্ষ্যভেদ। অবশ্য লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বারিধারা। বিরতির আগেই সমতায় ফেরে মুক্তিযোদ্ধা।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে মুক্তিযোদ্ধাকে খেলায় ফেরান ইসমাইল বাঙ্গুরা। সারওয়ার জামান নিপুর পাস থেকে প্লেসিং শটে বল জালে জড়ান এই গিনিয়ান। ঘুরে দাঁড়ানো মুক্তিযোদ্ধা জয় নিশ্চিত করে ৭৪ মিনিটে, যখন নোরিতো হাসিগুচির ডান পায়ের জোরালো শট জড়িয়ে যায় জালে।
৩ পয়েন্ট পেয়ে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা কোচ আব্দুল কাইয়ুম সেন্টু, ‘আমরা ৩ পয়েন্ট পেয়েছি। খুব ভালো লাগছে। শুরুতে গোল হজম করতে হয়েছে। তবে ঘুরে দাঁড়িয়ে আমরা ম্যাচ জিতেছি। এখন শেষ ম্যাচ ভালো করে নকআউট পর্বে যেতে চাই।’
বারিধারা কোচ আলফাজ আহমেদ টানা দুই ম্যাচ হেরে বিষণ্ণ। অবশ্য এই প্রতিযোগিতা থেকে শিক্ষা নিতে চাইছেন তিনি, ‘ফেডারেশন কাপের অভিজ্ঞতা আমাদের লিগে কাজে দেবে। আগেই বলেছি ফেডারেশন কাপে আমাদের কোনও লক্ষ্য নেই।’