১৩ বছর পর বঙ্গবন্ধুর নামে…

বঙ্গবন্ধু জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে বাফুফের সংবাদ সম্মেলনএকসময় জেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও সার্ভিসেস দলগুলোকে নিয়ে নিয়মিত হতো শেরেবাংলা কাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা। একটু অনিয়মিতভাবে হতে হতে ২০০৭ সালের পর থেকে এটি চলে যায় হিমাগারে।

বাফুফের বর্তমান কমিটি মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে ১৩ বছর পর জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ মাঠে নামানোর উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আটটি বিভাগীয় এবং একটি সার্ভিসেস দলসহ মোট ৯ দল নিয়ে হবে এই প্রতিযোগিতা। প্রতিটি দল হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক ম্যাচ খেলবে। এতে দলগুলো বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। আজ শনিবার জেলা ও বিভাগীয় এবং সার্ভিসেস দলগুলোর কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এই চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের সিদ্ধান্তে এসেছে বাফুফে।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন নিয়ে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করতে যাচ্ছি। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ম্যাচ হবে। ফিফা-এএফসিতে যেভাবে টুর্নামেন্ট হয়, সেভাবেই আমরা আয়োজন করবো।’

এবার থেকে এই প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সালাউদ্দিন, ‘এখন থেকে প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে। অংশগ্রহণকারী দলগুলোও খেলার ব্যাপারে ইতিবাচক।’

নড়াইল জেলা ক্রীড়াসংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং ১৮ বছর ধরে ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা আশিকুর রহমান বঙ্গবন্ধু জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের আশু আয়োজনে উচ্ছ্বসিত, ‘আমরা আনন্দিত যে এই প্রতিযোগিতায় খেলবো। ৬৪টি জেলায় খেলা হবে। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক। এতে ব্যাপক সাড়া পড়বে। আমরা যে সংগঠকই হই না কেন,আমাদের শুরুটা কিন্তু ফুটবল দিয়ে।’