আগের পাঁচটি টুর্নামেন্টের মধ্যে ১৯৯৯ সালেরটিই শুধু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে হয়েছে। এরপর গত তিনটি টুর্নামেন্ট হয়েছে একাধিক ভেন্যুতে। ঢাকা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সঙ্গে সিলেট ও কক্সবাজার ছিল গতবারের ভেন্যু। এবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর জন্মশতবার্ষিকীর বছর ২০২০ সালকে সরকার মুজিববর্ষ হিসেবে নানা আয়োজনে পালন করার ঘোষণা দিয়েছে আগেই। আর মুজিববর্ষে বলেই বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ ফুটবলের সব ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বাফুফে ভবনে প্রতিযোগিতার স্পনসর কে-স্পোর্টসের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কাজী সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এটা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামেই হবে, আর কোনও ভেন্যু নয়।’
প্রতিযোগিতাটি হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালে, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এটিকে পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ২০২০ সালের প্রথম মাসে । বাফুফে জানিয়েছে, ফাইনাল ম্যাচে দর্শক হিসেবে গ্যালারিতে থাকবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১১ দিনের এ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সঙ্গে লাওস, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া, মঙ্গোলিয়া ও কিরগিজস্তান অংশ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বাফুফে। আগামী শনিবার লোগো উন্মোচন ও ড্র অনুষ্ঠানে আয়োজকরা প্রতিযোগী দেশের নাম চূড়ান্ত করবে।
বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম জানান, সাবেক কোনও খেলোয়াড়কে টুর্নামেন্টের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে পেতে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে । ম্যাচ অফিসিয়াল চূড়ান্ত করতেও নেওয়া হচ্ছে ফিফার শরণ।
আজ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন বাফুফের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, ফেডারেশনের নারী শাখার প্রধান মাহফুজা আক্তার ও নির্বাহী সদস্যরা এবং কে-স্পোর্টসের প্রতিনিধিরা।