কোকের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর লিওনেল মেসি ও আতোঁয়ান গ্রিজমানের গোলে রবিবারের ফাইনালে এক পা দিয়েই ফেলেছিল বার্সা। কিন্তু শেষ ১০ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড তারা। আলভারো মোরাতা ও আনহেল কোরেয়ার গোলে অবিশ্বাস্য হারের হতাশায় ডুবতে হয়।
গত দুই বছর রোমা ও লিভারপুলের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার বিদায়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছিল ভারভার্দের ভবিষ্যৎ। এই লা লিগা মৌসুমে অ্যাথলেটিক বিলবাও, গ্রানাডা ও লেভান্তের কাছে হার এবং গত সপ্তাহে তলানির ক্লাব এসপানিওলের সঙ্গে ড্রয়ে চাপ আরও বেড়ে যায়। জেদ্দার কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে শুনেছেন দুয়ো। তবে তার ওপর আস্থা হারাচ্ছেন না মেসি, ‘হ্যাঁ, কোচের ওপর এখনও পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’
ভালভার্দেকে ঘিরে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে সেটা নিয়ে নিজের ভাবনা জানান বার্সা অধিনায়ক, ‘একটি হারে অনেক কথা উঠবে, সেটা স্বাভাবিক। যখন আপনি উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবেন না কিংবা প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলা দেখবেন না, তখন এসব হতেই পারে।’ কোচকে নিয়ে মেসির সঙ্গে সুর মেলালেন লুইস সুয়ারেজ, ‘ভালভার্দের ভবিষ্যৎ এই ক্লাবেই। তাকে কোনও দোষারোপ করা উচিত নয়।’
পুরো ম্যাচে ভালো খেলে শেষ দিকে ‘শিশুতোষ’ ভুল করায় ক্ষুব্ধ মেসি, ‘আমরা শিশুতোষ ভুল করেছি, এমনটা আর করা যাবে না। আমরা ভালো খেলছিলাম, ৮০ মিনিট ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল আমাদের হাতে। যখন তারা (আতলেতিকো) শেষ, ঠিক তখন কয়েকটি ভুল করলাম, ম্যাচ ফসকে গেলো।’
চাকরি হারানোর শঙ্কা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না ভালভার্দে, ‘কঠোর পরিশ্রম করে কোচরা এবং নিজেদের সেরাটা দেওয়ায় মনোনিবেশ করে। ফুটবল কী আমরা জানি। হারলে একধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। আমি কেবল আমার কাজে মনোযোগ দিচ্ছি।’