শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে না পারলে সেমিফাইনাল-স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে। তবে রবিবার ম্যাচের প্রথমার্ধে মাঠে দারুণই খেলেছে জেমি ডের ছাত্ররা। তার ফলেই এসেছে মতিন মিয়ার গোল।
বাংলাদেশ এদিন একাদশে চার পরিবর্তন এনেছে। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া উরুর চোটের কারণে নেই। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ইয়াসিন খান জ্বরের কারণে আগেই হোটেল ছেড়েছেন। এছাড়া ডিফেন্ডার রায়হান হাসান ও মামুনুল ইসলামেরও জায়গা হয়নি।
তাদের জায়গায় অভিষেক হয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীর মিডফিল্ডার মানিক হোসেন মোল্লার। এছাড়া একাদশে ফিরেছেন বিশ্বনাথ ঘোষ ও রিয়াদুল ইসলাম। ফিলিস্তিনের ম্যাচে বদলি হিসেবে নামা মাহবুবুর রহমান সুফিল শুরু থেকে খেলছেন।
অনেক দিন পর বাংলাদেশ ফরমেশন বদলে মাঠে নেমেছে। ৪-১-৪-১ ফরমেশনে খেলা স্বাগতিকেরা এদিন ৪-৪-২ তে খেলছে। সুফিল ও মতিন জুটিবেঁধে আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুর দিকে চার মিনিটের সময় মাথায় আঘাত পেয়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে খেলছেন রিয়াদুল হাসান। প্রতিপক্ষের একজনের সঙ্গে সংঘর্ষে মাথা ফেটে যায় এই ডিফেন্ডারের। বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ ১০ মিনিটের সময় প্রথম সুযোগ পায়। তবে ইব্রাহিমেরে ক্রসে সাদউদ্দিন লক্ষ্যে শট নিতে পারেননি।
৬ মিনিট পর বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। গ্যালারিতে তখন উল্লাস। জাতীয় দলে প্রথম খেলা মানিক মোল্লার থ্রু থেকে বক্সে দাঁড়ানো মতিন মিয়া বাঁ পায়ে বল নিয়ন্ত্রণ করে ডান পায়ের জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন। জাতীয় দলে এটাই তার প্রথম গোল।
২১ মিনিটে মোহাম্মদ ইব্রাহিম ‘স্বার্থপরের মতো’ গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন। বাঁ প্রান্ত থেকে নিজেই গোল করতে গিয়ে লক্ষ্যে শট নিতে পারেননি। অথচ ডান দিকে ফাঁকায় ছিলেন সুফিল। পাস বাড়ালে হয়তো দ্বিতীয় গোল পেয়ে যেতো লাল-সবুজের দল।
বাংলাদেশ দল: আশরাফুল রানা, রহমত মিয়া, তপু বর্মণ, সাদউদ্দিন, মতিন মিয়া, সোহেল রানা, বিশ্বনাথ ঘোষ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, রিয়াদুল হাসান, মানিক মোল্লা ও মাহবুবুর রহমান সুফিল।