ঢাকায় পা রেখেই আবাহনীকে হুমকি মাজিয়ার

ঢাকার ফার্স হোটেলে মাজিয়ার খেলোয়াড়রাসবার অবয়বে ক্লান্তির ছোঁয়া। প্রায় ১৪ ঘণ্টার ভ্রমণ শেষে রবিবার রাত ৮ টায় ঢাকার ফার্স হোটেলে এসে পৌঁছায় মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব। তাদের মেসিডোনিয়ান কোচ মারিয়ান সেকুলোভস্কি এসেই হুমকি দিলেন ঢাকা আবাহনীকে। পূর্ণ তিনটি পয়েন্ট নিতেই তারা এসেছেন এএফসি কাপে খেলতে!

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে মিশন শুরু হতে যাচ্ছে মাজিয়ার। প্রাথমিক পর্বে আবাহনীর অ্যাওয়ে ম্যাচটি হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। এই টাইয়ের জয়ী দল খেলবে ভারতের বেঙ্গালুরু এফসি-ভুটানের পারো এফসির বিজয়ীর সঙ্গে। দুই লেগের প্লে-অফ বিজয়ী দল ‘ই’ গ্রুপে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস, ভারতের চেন্নাই সিটি ও মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের সঙ্গে যোগ দেবে।

মাজিয়া এর আগেও ঢাকায় খেলে গেছে। ২০১৭ সালে এএফসি কাপেই আবাহনীর বিপক্ষে হোম-অ্যাওয়ে দুটি ম্যাচেই ২-০ গোলে জিতেছিল তারা। সেই সময়েও কোচ ছিলেন এই সেকুলোভস্কি। তবে তিন বছর আগের আবাহনীর সঙ্গে এবারের আবাহনীকে মেলানো যাবে না।

এই তো গতবছরই এএফসি কাপের জোনাল সেমিফাইনালে খেলেছে আকাশি-হলুদরা। মাজিয়ার কোচ তাই আবাহনীকে সমীহও করছেন, ‘আমরা আবাহনীকে এর আগে দুবারই হারিয়েছি। আমরা জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। তবে জানি এবার কাজটি সহজ হবে না। এমনিতেই আবাহনী ভালো দল। তারওপর গতবার তারা সেমিফাইনাল পর্বে খেলেছে। উত্তর কোরিয়ার দলের বিপক্ষে জিতেছে একটি ম্যাচ।’

মাজিয়া দলে স্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে দুই আফগানিস্তান, একজন সার্বিয়া ও গ্রানাডার খেলোয়াড় এসেছে। এএফসি কাপে আগে পাঁচবার অংশ নিলেও মালদ্বীপের দলটি গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি। সেকুলোভস্কি অবশ্য এবার বেশ আশাবাদী, ‘আমরা এবার লিগ চ্যাম্পিয়ন। এএফসি কাপে আমাদের প্রস্তুতিও সেভাবে নেওয়া হয়েছে। দলের স্থানীয় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ভালো বিদেশি খেলোয়াড়ও আছে। আশা করছি আমরা প্রথম পর্ব উতরাতে পারবো। তারপর প্লে-অফ খেলে যাবো গ্রুপ পর্বে।’