শুধু চুলের যত্ন নয়, পোশাকেও সব সময় কেতাদূরস্ত। আর পার্টির কথা যদি বলা যায়, তাহলে নেইমার থাকবেন ওপরের দিকে। বার্সেলোনার দিনগুলোতে টুকটাক ছিল, তবে প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ে যোগ দেওয়ার পর মাত্রাটা আরও বেড়েছে। সেখানে এমনকি কোচের চাওয়ারও ‘মূল্য’ নেই। একদিন আগেই পিএসজি কোচ টমাস টুখেল পার্টি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছিলেন। তাতে থোড়াই কেয়ার নেইমারের। ৫ ফেব্রুয়ারি নিজের ২৮তম জন্মদিনে খেলা থাকায় দুইদিন আগেই পার্টি সেরে নিলেন সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড!
তার প্রতিটি জন্মদিনেই আলাদা ‘ড্রেস কোড’ থাকে। এবারেরটি ছিল ‘অল হোয়াইট’। সেটি মেনেই নেইমারের পার্টিতে এসেছিলেন পিএসজি সতীর্থ আনহেল দি মারিয়া, এডিনসন কাভানি ও মাউরো ইকার্দি। কিলিয়ান এমবাপ্পেকে নিয়ে একটু ধোঁয়াশা আছে। বিবিসি জানিয়েছে, এমবাপ্পে আসেননি অনুষ্ঠানে। তবে ডেইলি মেইলেরখবর, স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টায় যোগ দেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। শুধু সতীর্থরা নন, নেইমারের পার্টিতে এসেছিলেন লিওঁ উইঙ্গার মেমফিস দিপাইও।
উৎসবমুখর রাত কাটালেও নেইমারের জন্য খারাপ কিছুই হয়তো অপেক্ষা করছে। কেন? আগের দিন মঁপেলিয়েরকে ৫-০ গোলের হারালেও কোচ টুখেলের মুখটা ছিল শুকনো। কারণ দুটি। প্রথমত, এমবাপ্পের আচরণ, অন্যটি নেইমারের পার্টি। দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপ্পেকে তুলে নেন পিএসজি কোচ। বিষয়টি একেবারেই ভালো লাগেনি ২১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের। কোচের সিদ্ধান্ত তার মোটেও পছন্দ হয়নি, সেটি পরিষ্কার দেখাও গেছে।
টুখেলের কথায় পরিষ্কার বার্তা, নেইমারের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তিনি মোটেও খুশি নন। ৫-০ গোলে জেতার পরও মলিন মুখে দলের সেরা দুই খেলোয়াড়ের ওপর ক্ষোভ উগড়ে দেন অবলীলায়। এতে সম্ভবত নেইমারের কিছু যায়-আসে না। অতীতেও এই পিএসজিতে তার পার্টি করা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। কোনও কোনোটিতে শোনা গেছে, মাফ চেয়ে পার পেয়ে গেছেন নেইমার।
মাত্র দুই দিন পর ম্যাচ, তারপরও সতীর্থদের নিয়ে পার্টি করার মূল্য এবার দিতে হয় কি না, সেটাই দেখার।