রবিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকে ছিল আবাহনীর দাপট। তবে রহমতগঞ্জের গোলকিপার রাসেল মাহমুদ লিটন ছিলেন তিন কাঠির নিচে দুর্বার। ম্যাচের ৫ মিনিটের সময় হাইতির ফরোয়ার্ড কেরভেন্স বেলফোর্টের শট গোলকিপার লিটন তালুবন্দী করেন। ১৩ মিনিটে জীবনের প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ফেরান।
বিরতির পরও আবাহনীর দাপট কমেনি। এডগার বের্নহার্টের শট লিটন ফিরিয়ে দেন। তবে ৫৫ মিনিটে তাদের ভাগ্য খুলে যায়। মামুনুল ইসলামের ফ্রি-কিকে বেলফোর্ট মাথা ছোঁয়ানোর পর বল শূন্যে থাকা অবস্থায় জীবন হেডে জাল খুঁজে নেন। রহমতগঞ্জের খেলোয়াড়েরা তখন অফসাইডের দাবি জানালে রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। মাঝেমধ্যে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও খারাপ কিছু ঘটেনি।
গোল ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি আবাহনী। ৬৭ মিনিটে সাদ উদ্দিনের পাসে সানডে চিজোবা গোলরক্ষক বরাবর মেরে সুযোগ নষ্ট করেছেন।
৭৫ মিনিটে রহমতগঞ্জও একটা আধা সুযোগ পেয়েছিল।কিন্তু শাহেদের ফ্রি-কিক থেকে ইউনুসা কামারার হেড পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।
ওদিকে ৭৯ মিনিটে গোলকিপারকে একা পেয়েও বেলফোর্ট ব্যর্থ হন। আর তাতেই আবাহনীকে এক গোল নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।