ডি ব্রুইনার ধারণা, তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন

ম্যান সিটি মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনাপ্রিমিয়ার লিগ স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর থেকেই হোম কোয়ারেন্টিনে কেভিন ডি ব্রুইনা। তবে লকডাউনের শুরুতে ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডারের মনে হয়েছিল তিনি ও তার পরিববার করোনায় আক্রান্ত। যদিও অসুস্থ থাকা অবস্থায় কোনও পরীক্ষা করাননি তিনি।

করোনাভাইরাসের কারণে ইংলিশ লিগ বন্ধ। ইংল্যান্ডে যেহেতু প্রাণঘাতী ভাইরাসের প্রকোপ বেশি, তাই লকডাউনে ‘ঘরবন্দি’ হয়ে থাকতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের। ডি ব্রুইনাও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার সঙ্গে বাড়িতেই থাকছেন। তবে শুরুর দিকে লম্বা সময়ের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিল তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য। ভয় ছড়ানো সেই দিনগুলোর কথাই স্কাই স্পোর্টসের কাছে প্রকাশ করেছেন বেলজিয়ান মিডফিল্ডার।

লম্বা সময় অসুস্থ থাকায় ডি ব্রুইনার মনে হয়েছিল, তার পরিবার করোনায় আক্রান্ত। কিন্তু ভাইরাসটি আসলেই শরীরে আছে কিনা, সেটা পরীক্ষা করে দেখা হয়নি। অবশ্য এখন তিনি ও তার পরিবারের সবাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

২৮ বছর বয়সী ডি ব্রুইনা বলেছেন, ‘লকডাউনের শুরুতে আমার পরিবার ৮-৯ দিন অসুস্থ ছিল। শুরুটা হয়েছিল আমার ছোট ছেলেকে দিয়ে, এরপর আমার বড় ছেলে এবং আমার স্ত্রী। জানি না আমাদের এটা (করোনাভাইরাস) ছিল নাকি ছিল না।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘সৌভাগ্যক্রমে আমরা এটা থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছি। গত দুই-তিন সপ্তাহ আমরা পুরোপুরি ভালো আছি। এখন আমরা একটা রুটিন তৈরি করেছি এবং সবকিছু ঠিকঠাক চলছে।’

অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়েছে প্রিমিয়ার লিগ। কবে খেলা ফিরবে, এই প্রশ্নের উত্তর কারও কাছে নেই। ডি ব্রুইনা কিন্তু নিজেকে ফিট রাখার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেটা কিভাবে? ম্যানসিটি তারকা বললেন, ‘(লকডাউনের) প্রথম দুই সপ্তাহ খুব অদ্ভুত ছিল, কারণ আমি বুঝতে পারছিলাম না আসলে হচ্ছেটা কী। এরপর আমি একটা ট্রেডমিল জোগাড় করি। বেশ সাঁতারও কেটেছি। নিজেকে ভাগ্যবানই বলতে হবে, কারণ নিচের তলায় আমার সুইমিং পুল আছে।’