তবে নওশেরের অবস্থা উন্নতির দিকে। বাংলা ট্রিবিউনকে তার বড় ভাই বদিউজ্জামান জানিয়েছেন তেমনটাই, ‘ওর অক্সিজেনের মাত্রা আগের চেয়ে ভালো। শারীরিক অবস্থারও উন্নতি হয়েছে। আমরা আশাবাদী।’
করোনাভাইরাস নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে নওশেরের পরিবারের। দুই হাসপাতালে দুই ধরনের রিপোর্ট পেয়েছে তারা। গত শুক্রবার বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করে শনিবার নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে। আবার মুগদা জেনারেল হাসাপাতালের রিপোর্ট এসেছে পজিটিভ।
বদিউজ্জামান বলছিলেন, ‘নওশের কয়েকদিন ধরে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার একটি প্রতিষ্ঠানে করোনা পরীক্ষা করিয়েছি। পরীক্ষার পরই ও অসুস্থ হলে মুগদা হাসপাতালে ভর্তি করাই। সেখানেই আগের পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। আবার মুগদাতেই পরের দিনের রিপোর্টে এসেছে পজিটিভ। ওর আইসিইউ শয্যা দরকার হলে সেখানে পাইনি, বেড খালি ছিল না। পরবর্তীতে রবিবার গ্রীন লাইফে নিয়ে আসতে হয়েছে।’
৭২ বছর বয়সী নওশের স্বাধীন বাংলা দল ছাড়াও দীর্ঘদিন খেলেছেন মোহামেডান স্পোর্টিংয়ে। ৭০-এর দশকে অন্যতম তারকা ফুটবলার ছিলেন তিনি। ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটেও ছিল তার দাপট। মোহামেডানের মতো দলে নিয়মিত খেলে গেছেন সাবেক এই ওপেনার।