মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে মানিক বলেছেন, ‘ফুটবলের জন্য কাজ করছি ঠিকই, তবে দেশের জন্য কাজ করতে পারিনি এখনও। আমি মনে করি, ফুটবল খেলেছি নিজের জন্য এবং যখন কোচ হয়েছি তখনও নিজের জন্য। পারিশ্রমিক পেয়েই কাজ করছি। ফেডারেশনের পদে থাকলে যেহেতু কোনও বেতন নেই, সেখানে দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ আছে। আমি সবসময় দেশের জন্য কাজ করতে চাই।’
বাফুফের পদে থেকেই কাজ করার আগ্রহ তার, ‘আমি পরিবর্তন চাই ব্যক্তিগতভাবে। আমরা যে জায়গাটা থাকতে পারতাম সেই জায়গায় নেই। সুযোগ এসেছে কাজ করার। চেয়ারে না বসলে কাজ করা যায় না। বাইরে থেকে কথা বলে কোনও কাজে আসে না।
শেষ পর্যন্ত লড়ার চালিয়ে যাবেন মানিক, ‘আমি ডাকসুতে কাজ করেছি। আমার সাংগঠনিক দক্ষণ আছে। ফুটবলে চার দশক হচ্ছে। খেলোয়াড় হিসেবে ১৫ বছর, কোচ হিসেবে ২৫ বছর। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবো। হুট করে সিদ্ধান্ত বদলাবো না। আমি শেষ পর্যন্ত লড়বো। কাউন্সিলরদের বিপথে কেউ নেবেন না। ঘুষ যে দেয় আর যে নেয়, তারা সমানভাবে দোষী। কাউন্সিলররা সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে ফুটবলের জয় আসবেই।’
সঙ্গে আরও যোগ করেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুটবলের প্রতি ভালোভাসা অনেক। নির্বাচিত হলে তার কাছ অনেক কিছু আদায় করার সুযোগ আছে। পাওয়ার আছে। পাশ করে আসতে পারলে এই জয়টা তাকে উপহার দিতে পারবো।’