অনুশীলন দেখে সংবাদমাধ্যমকে সাবেক এই তারকা স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘ওদের (খেলোয়াড়দের) সাধারণ কথা বলেছি। তোমরা তোমাদের শতভাগ দাও। যেটা তোমরা পারবে। সেরাটা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি।’
অনুশীলন দেখে খুশি সালাউদ্দিনসহ অন্যরা। তবে দলে যে ফিটনেসের ঘাটতি আছে তা মেনে নিচ্ছেন বাফুফে প্রধান, ‘অনুশীলন ভালো হচ্ছে। আরও সময় পেলে ভালো হতো। সময়ের অভাব। প্লানিং আছে। তবে ফিটনেসে এখনও গ্যাপ আছে। ফিটনেসের গ্যাপ থাকারই কথা। কারণ সাত মাস যদি ফুটবল না খেলেন সেটা কভার করতে আরও সময় লাগবে।’
কাজী সালাউদ্দিন অবশ্য এর আগে বলেছেন, ‘আমরা মাঠে আসছি ফুটবল শুরু করার জন্য। করোনাভাইরাসের কারণে ফুটবলটা বন্ধ ছিল। আমরা ট্রেনিংটা দেখতে এসেছি। কীভাবে হচ্ছে, এটাই দেখতে এসেছি।’
বাফুফের অন্যতম সহ-সভাপতি ও জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেপালকে সমীহ করে বলেছেন, ‘প্রতিপক্ষকে সবসময় আমরা শক্তিশালী মনে করে মাঠে নামি। নেপাল দলের বিপক্ষে আমাদের সাম্প্রতিক সময়ে অনেক খেলায় হার-জিত আছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তারা সেই প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। তবে মাঠে দুই দলেরই শক্তি পরীক্ষা হয়ে যাবে।’
নেপালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে দেশের মানুষের কাছে দোয়াও চাইছেন আবাহনী লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর ইনচার্জ, ‘খেলায় হার ও জিত সবই আছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই খেলায় আমাদের শতভাগ দেওয়া। মাঠে আমাদের খেলোয়াড়, ক্লাব, দর্শক, সংগঠক আপনারা সাংবাদিক ভাই-বোনদের সবাইকে নিয়ে আসার জন্য। আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইছি যেন আমাদের ১৩ ও ১৭ নভেম্বর ফল সবার কাছে আশানুরূপ হয়। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এটার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন প্রোগ্রামের দিকে যাবো। আমাদের ফুটবল আরও শক্তিশালী হবে।’