বুধবার রাতে ঘরের মাঠ লিসবনে অ্যান্ডোরাকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে পর্তুগাল। প্রতিপক্ষ নিয়ে আক্ষরিক অর্থেই খেলেছে পর্তুগিজরা। নিজেরা ২৫ শটের মধ্যে ১৪টি গোলমুখে রাখলেও অ্যান্ডোরা কোনও শটই নিতে পারেনি গোটা ম্যাচে! দাপুটে জয়ে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগ ম্যাচ দুটির আগে নিশ্চিতভাবেই আত্মবিশ্বাস বেড়েছে তাদের।
হাঁটুর সামান্য সমস্যা ও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন মাঠের থাকতে হয়েছিল রোনালদোকে। তাছাড়া সামনের নেশনস লিগের আগে তাকে বিশ্রামেও রাখতে চেয়েছেন সেলেকাও কোচ ফের্নান্দো সান্তোস। সে কারণেই পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে বাইরে রেখে একাদশ সাজিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামান রোনালদোকে।
ওই সময়ের মধ্যেই সতীর্থদের গোলোৎসবে নাম তুলে ফেলেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ৮৫ মিনিটে হেড থেকে পাওয়া গোলে জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার দৌড়ে আরেকটু এগিয়ে গেছেন রোনালদো। এখন তার গোলসংখ্যা ১০২, সবচেয়ে বেশি গোল নিয়ে শীর্ষে আছেন সাবেক ইরানি স্ট্রাইকার আলি দাই। অর্থাৎ, আর ৭ গোল করতে পারলেই রেকর্ডে ভাগ বসাবেন সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। গত অক্টোবরে সুইডেনের বিপক্ষে নেশনস লিগে দুইবার বল জালে জড়িয়ে গোলের ‘সেঞ্চুরি’ পূরণ করেছিলেন তিনি।
অ্যান্ডোরার বিপক্ষে রোনালদোর গোলের আগেই ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। তাদের গোলোৎসবের শুরুটা অষ্টম মিনিট থেকে, যখন জাল খুঁজে পেয়েছিলেন পেদ্রো নেতো। ২৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাউলিনিয়ো, ৬১ মিনিটে আরেকবার লক্ষ্যভেদ করেছিলেন তিনি। এর আগে ৫৬ মিনিটে স্কোরশিটে নাম তোলেন রেনাতো সানচেস।
৭৬ মিনিটে এমিলি গার্সিয়ার আত্মঘাতী গোলটির পরই জাল খুঁজে পেয়েছিলেন রোনালদো। আর নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ২ মিনিট আগে অ্যান্ডোরার কফিনে শেষ পেরেকটি মারেন জোয়াও ফেলিক্স।