নভেম্বরের শেষ দিকে শুধুমাত্র সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য জাতীয় দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মারুফকে। টানা তৃতীয় বার গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় তার থাকার যোগ্যতা নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও কোনও গতি না থাকায় আবারও দলের দায়িত্ব মারুফকেই অর্পণ করে বাফুফে।
দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন মারুফ। বলেন, ‘বাফুফে সভাপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেছেন ফল তো এ রকম হওয়ার কথা ছিল না। আমি তাকে সব খুলে বলেছি। পারিপার্শ্বিকতার কারণে এখন চূড়ান্ত কিছু বলতে পারছিনা। সভাপতি আমাকে বললেন আমি দায়িত্ব অব্যাহত রাখতে চাই কিনা। আমি বলেছি যদি আমার ওপর আস্থা থাকে তবে আমি কাজ করবো। তিনি আমাকে বললেন তাহলে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে দায়িত্বে থাকো।’
এ প্রসঙ্গে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ বলেন, ‘সাফের দায়িত্ব দেওয়ার সময়ই মারুফের কথা ভেবে রেখেছিল বাফুফে। তাই তাকেই আবার দায়িত্ব দেওয়া হলো। তবে কোনও সময় ভিত্তিক নিয়োগ নয় এটি। বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের পরও মারুফ দায়িত্বে থাকতে পারেন। সেটা পরের ব্যাপার।’
দীর্ঘ মেয়াদী দায়িত্ব না দিলে সাফের পর আর কোচিং করাবেন না বলেছিলেন মারুফ। তবে কি তিনি তার অবস্থান থেকে সরে আসলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে মারুফ বলেন, ‘বিষয়টা পারিপার্শ্বিকতার ওপর নির্ভর করছিল। সাফ পর্যন্ত আমিও আমার পরিকল্পনা সীমাবদ্ধ রেখেছিলাম। তাই সেসময় সেভাবে ভাবিনি। এখন ভিন্ন ভাবে চিন্তা করছি।’
এসময় সাফ সুজুকি কাপে বাংলাদেশ দলে বিভেদ ছিল না বলে দাবি করেন মারুফ। তিনি বলেন, ‘মিডিয়া কি বলেছে তা নিয়ে আমি মন্তব্য করবো না। তবে আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি যে দলে কোনও বিভেদ ছিল না। আমি বিকেএসপিতে খেলোয়াড়দের সঙ্গে ২১ দিন এবং কেরালায় ১০ দিন ছিলাম। কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে দলে বিভেদ ছিল তবে আমি কোচিং ছেড়ে দেব।’
আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে হওয়া বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ নিয়ে আপাতত কোনও মন্তব্য করেননি মারুফ। তিনি বলেন, ‘সাফ নিয়েই চিন্তা ভাবনা ছিল এতোদিন। এ মুহুর্তে কোনও মন্তব্য বা প্রত্যাশা ব্যক্ত করা ঠিক হবে না। দলের মোটিভেশন দেখেই মন্তব্য করা ভালো হবে’
তিনি আরও বলেন, ‘সাফে ২০ জন নিয়ে গিয়েছিলাম এখন আরও তিনজন নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ৪ জানুয়ারি ক্যাম্প শুরু হবে আর দলকে নিয়ে আমি চলে যাবো যশোর কিংবা খুলনায়। আশা করি ভালো খেলবে দল।’
/আরএম/এফআইআর/