চ্যাম্পিয়নস লিগ কিংবা লা লিগা- কোথাও সময় ভালো যাচ্ছিল না রিয়ালের। হার আর ড্রয়ের বৃত্তে জিনেদিন জিদানের চাকরি নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছিল। সেই জিদান এখন সম্ভবত ফুটবলের সবচেয়ে সুখী মানুষ। চ্যাম্পিয়নস লিগে তার দল শুধু নকআউট পর্বই নিশ্চিত করলো না, শেষ ষোলোতে উঠলো গ্রুপসেরা হয়ে। এখন স্প্যানিশ লিগেও স্বস্তির হাওয়া। সবশেষ মঙ্গলবার রাতে আথলেতিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে ভাগ বসিয়েছে। ১৩ ম্যাচ শেষে রিয়ালের পয়েন্ট ২৬। সমান খেলায় সমান পয়েন্ট রিয়াল সোসিয়েদাদেরও। আর দুই ম্যাচ কম খেলে আতলেতিকো মাদ্রিদের পয়েন্ট ২৬।
লিগের আগের ম্যাচে মাদ্রিদ ডার্বিতে আতলেতিকোকে হারিয়েছে রিয়াল। আত্মবিশ্বাসে ভরপুর লস ব্লাঙ্কোস এবার ঘরের মাঠে হারালো বিলবাওকে। ১০ জনের বিলবাওকে হারাতে রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হয়েছে। তবে আবারও তাদের ত্রাতা হয়ে হাজির হয়েছিলেন করিম বেনজেমা। এই ফরাসি স্ট্রাইকারের জোড়া লক্ষ্যভেদেই গুরুত্বপূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে রিয়াল।
চলতি মৌসুমে ভয়াবহ চাপে পড়েছিল রিয়াল। ওই জায়গা থেকে আবারও জ্বলে উঠেছে মাদ্রিদের ক্লাবটি। কেন তারা রিয়াল মাদ্রিদ, সেটিই দেখিয়ে চলেছে টানা চার ম্যাচ জিতে। যার সবশেষটি স্তাদিও আলফ্রেদো ডি স্তেফানোয়। ১৩তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদের সঙ্গে লাল কার্ড দেখে রাউল গার্সিয়া মাঠ ছাড়লে ১০ জন নিয়ে বাকি সময়টা খেলতে হয় বিলবাওকে। এরপরও লড়াই চালিয়ে গেছে তারা।
প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে টনি ক্রুসের গোলে রিয়াল এগিয়ে গেলেও লিড বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি। বিরতিতে থেকে ঘুরে এসে ৫২ মিনিটে সফরকারীদের সমতায় ফেরান আন্দের কাপা।
সমতায় ফেরা ম্যাচের ৭৪ মিনিটে রিয়ালকে আবার এগিয়ে নেন বেনজেমা। দানি কারভাহালের ক্রস থেকে হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি স্ট্রাইকার। এরপর ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে তিনি দ্বিতীয়বার জাল খুঁজে পেলে স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল।