সেটা কীভাবে? ২০১৮ সালের শীতকালীন দলবদলে লিভারপুল ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছেন কুতিনিয়ো। দলবদলের অঙ্কটা ছিল ১২০ মিলিয়ন ইউরোর। তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক আরও ৪০ মিলিয়র ইউরো বোনাস পাওয়ার সুযোগ আছে ইংলিশ ক্লাবটির। চুক্তির ধারায় একটি শর্ত ছিল, কুতিনিয়ো বার্সেলোনার জার্সিতে ১০০ ম্যাচ খেললেই তারা পাবে ২০ মিলিয়ন ইউরো বোনাস। কিন্তু চোটে ব্রাজিলিয়ান তারকা লম্বা সময়ের জন্য ছিটকে গেলে লিভারপুল সেই বোনাস হারাতে পারে।
এইবারের বিপক্ষে চোট পাওয়ার ম্যাচ দিয়ে বার্সেলোনার জার্সিতে ৯০ ম্যাচ খেলেছেন কুতিনিয়ো। লিভারপুলের বোনাস পেতে গেলে আরও ১০ ম্যাচ খেলতে হবে তার। স্বাভাবিক হিসাবে মনে হতে পারে, সুস্থ হয়ে ফিরলে কুতিনিয়ো তো বাকি ১০ ম্যাচ খেলতেই পারবেন। কিন্তু ঘটনা অন্য হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। স্প্যানিশ মিডিয়ার খবর, সামনের গ্রীষ্মের দলবদলে বার্সেলোনা বিক্রি করে দিতে পারে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডারকে। অস্ত্রোপচার টেবিলে গেলে চলতি মৌসুমে তার মাঠে ফেরা কঠিন। যদি সুস্থ হয়েও ওঠেন, তখন হয়তো বার্সেলোনার ১২ ম্যাচ বাকি থাকতে পারে। চোট কাটিয়ে ফেরার পর ম্যাচ ফিটনেস কতটা থাকবে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অর্থাৎ, কুতিনিয়ো যদি মৌসুম শেষ হওয়ার আগে সেরেও ওঠেন, তখনও তার পক্ষে ১০ ম্যাচ মাঠে থাকাটা অনিশ্চিত।
এরপর যদি সত্যি বার্সেলোনা তাকে বিক্রি করে দেয় গ্রীষ্মের দলবদলে, সেক্ষেত্রেও ১০০ ম্যাচ খেলা হবে না। তখন লিভারপুল চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ২০ মিলিয়ন ইউরো হারাবে। এসবই আসলে ‘যদি’ ও ‘কিন্তু’র মধ্যে আবদ্ধ। একদিকে তার চোটের অবস্থা, অন্যদিকে বার্সেলোনা তাকে সামনের গ্রীষ্মে বিক্রি করবে কিনা, তার ওপর নির্ভর করছে।
কোম্যানের পরিকল্পনার খুব ভালোভাবেই আছেন কুতিনিয়ো। কিন্তু সামনের সভাপতি নির্বাচনে নতুন সভাপতি এলে তার নজরে ব্রাজিলিয়ান তারকার অবস্থান কোথায় থাকে, সেটিই আসলে দেখার।