আগে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। দেখছিল জয়ের স্বপ্ন। তবে উত্তর বারিধারা তা হতে দেয়নি, বরং উল্টো নিজেরাই জয় দেখছিল। যদিও শেষ মুহূর্তের গোলে রক্ষা পেয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। আজ (সোমবার) দুই দলের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ২-২ গোলের ড্রতে।
পয়েন্ট ভাগাভাগি করাতে চট্টগ্রাম আবাহনী ৭ ম্যাচে নামের পাশে যোগ করেছে ৮ পয়েন্ট। অন্যদিকে উত্তর বারিধারা ৬ ম্যাচে তৃতীয় ড্রতে পেয়েছে ৩ পয়েন্ট।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের ২৯ মিনিটে উত্তর বারিধারা গোল পেতে পারতো। মিশরীয় মোস্তফা মাহমুদের কাছ থেকে পাস পেয়ে আরিফ হোসেন জোরালো শট নিলেও তা গোলকিপার মোহাম্মদ নাইম প্রতিহত করেন।
উত্তর বারিধারা হতাশ হলেও ৪০ মিনিটে ঠিকই গোলের আনন্দে মাতে চট্টগ্রাম আবাহনী। নিক্সন গুলের্মের লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় বন্দরনগরীর দলটি। অধিনায়ক মোনায়েম খান রাজুর ফ্রি কিকে মাথা ছুঁইয়ে জাল খুঁজে পান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে মারুফুল হকের দলের আক্রমণের তোপে বারিধারা পুরোপুরি ডিফেন্সিভ হয়ে পড়ে। প্রতিআক্রমণে ওঠে মাঝেমধ্যে গোল পাওয়ার চেষ্টা করেছে। ৫৬ মিনিটে সফলও হয় তারা। আরিফ হোসেনের পাস থেকে স্ট্রাইকার সুমন রেজা লক্ষ্যভেদ করেন।
৭৪ মিনিটে চট্টগ্রাম আবাহনী নিজেদের ভুলে গোল খেয়েছে। মনির আলম ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে পারেননি। তার পা থেকে বল নিয়ে আরিফ হোসেন ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডার পুলাতভ শুকুর আলীকে হারিয়ে নিচু শটে বারিধারাকে এগিয়ে নেন।
পিছিয়ে পড়ে চট্টগ্রাম আবাহনী আরও তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে আসে। বদলি নেমে দলের ত্রাতা কাওসার আলী। তার গোলে হার এড়িয়েছে বন্দর নগরীর দলটি। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে চিনেদু ম্যাথিউর ক্রসে কাওসারের প্রথম শট গোলকিপার মিতুল মার্মা ফিরিয়ে দেন, তবে ফিরতি বলে খুঁজে পান জাল। তাতেই ১ পয়েন্ট নিশ্চিত হয়েছে চট্টগ্রামের জায়ান্টদের।
আগামীকালের (মঙ্গলবার) খেলা:
মোহামেডান-বাংলাদেশ পুলিশ এফসি, বিকেল ৩টা
ভেন্যু: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম, কুমিল্লা
আবাহনী লিমিটেড-শেখ জামাল, বিকেল সাড়ে ৩টা
শেখ রাসেল-আরামবাগ, সন্ধ্যা ৬টা
ভেন্যু: বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা