নেপালে যাওয়ার আগে যে বার্তা পাচ্ছে বাংলাদেশ

২৩ মার্চ নেপালে শুরু হচ্ছে তিন জাতির ফুটবল প্রতিযোগিতা। স্বাগতিকদের সঙ্গে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ ও কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দল। এই প্রতিযোগিতা সামনে রেখে অনুশীলন শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ঘাম ঝরাচ্ছেন আনিসুর রহমান জিকো। সেখানেই এই গোলকিপার জানিয়েছেন, একাদশে কারও জায়গা স্থায়ী নয়। একই সঙ্গে নেপালে ভালো করার বার্তাও দিয়েছেন সবাইকে।

বসুন্ধরা কিংসের জিকো গোলবারের নিচে নিজেকে প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে যাচ্ছেন। তাই বর্তমানে বাংলাদেশ দলে ‍গ্লাভস হাতে সবচেয়ে নির্ভযোগ্য এই তরুণ গোলকিপার। অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘নেপালে গিয়ে খেলাটা কঠিন। কিরগিজস্তানও ভালো দল। সব মিলিয়ে এই টুর্নামেন্টটা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের।’

জাতীয় দলে কারও জায়গা নিশ্চিত কিছু নয়। সবাইকে লড়াই করেই নিজের জায়গা তৈরি করতে হয়। জিকোর উপলব্ধি, ‘জাতীয় দলে কিন্তু সবাই প্রমাণ দিয়েই আসেন। দলের হয়ে আগের ম্যাচে সেরা একাদশে খেলেছি বলে পরের ম্যাচেও খেলবো, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। সবাই এজন্য প্রস্তুত হয়ে আসে। সবাইকে পেছনে ফেলে নিজেকে সেরা প্রমাণ করতে হলে পারফর্ম করতে হবে। এটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ।’

সবাইকে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার আহ্বান কক্সবাজার থেকে উঠে আসা গোলকিপারের, ‘সবাই আমরা যদি আমাদের সেরাটা দিতে পারি, তবে ভালো কিছু হবে। জাতীয় দলের হয়ে আমি খুব বেশি ম্যাচ খেলিনি। মাত্র তিনটা ম্যাচ খেলেছি। সামনে আরও অনেক ম্যাচ আছে। দলে অনেক তরুণ আছি আমরা। যদি নিজেরা ভালো প্রস্তুতি নিয়ে খেলতে পারি, দল ভালো কিছুই করবে।’

দীর্ঘ ১৯ মাস পর দলে ফিরেছেন মিডফিল্ডার মাশুক মিয়া জনি। অনুশীলনে ফিরতে পেরে খুশি সিলেটের এই তরুণ, ‘অনেকদিন ইনজুরির কারণে বাইরে ছিলাম। এখন আবার নতুনভাবে শুরু করেছি। লিগে যারা পারফর্ম করেছে, তারাই এখানে খেলছে। নেপালে আমরা কিছুদিন আগেই যাচ্ছি। আশা করছি, ওদের আবহাওয়ার সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারবো।’

নেপালে ভালো করার লক্ষ্য জনির, ‘দলে যারা নতুন এসেছে, তাদের সঙ্গে নিয়মিতই লিগে খেলেছি। এখানে এক দলের হয়ে খেলবো। আশা করছি, তেমন কোনও সমস্যা হবে না। জয়-পরাজয় তো থাকবেই। তবে আমরা চাইবো সেখানে ভালো পারফর্ম করতে। এটা আসলে একটা প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট আমাদের জন্য। তাই সেই সুযোগটা আমরা নিতে চাই।’