ভারত থেকে বিশেষ অনুমতিতে ফিরলেন বাংলাদেশের স্ট্রাইকার

চোটে পড়ে কলকাতায় লিগামেন্ট অপারেশন করাতে গিয়েছিলেন জাতীয় দলের স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন। গত ১৭ এপ্রিল অপারেশনের পর বেশ কিছুদিন সেখানকার হোটেলে অনেকটা একাকী সময় কাটিয়েছেন। আশার কথা হলো এই করোনা পরিস্থিতির মাঝেও বাংলাদেশে ফিরতে পেরেছেন আবাহনীর স্ট্রাইকার। বাংলাদেশ সরকার দুই সপ্তাহ ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিলেও জীবন দেশে ফিরতে পেরেছেন বিশেষ অনুমতি নিয়ে।

অবশ্য সোমবার সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত পাড়ি দিয়ে এলেও জীবন রয়েছেন হোটেল কোয়ারেন্টিনে। বর্তমানে সেখানকার একটি হোটেলে ১৪ দিনের মতো থাকতে হবে তাকে। কিন্তু বেশ কিছু দিন একাকী জীবন যাপন করায় এই কোয়ারেন্টিন কঠিন মনে হচ্ছে এই স্ট্রাইকারের কাছে, ‘আমার আসলে ব্যান্ডেজ খুলতে হবে। পায়ের কিছু ব্যায়ামও করতে বলা হয়েছে। এর ওপর পায়ে ব্যথা রয়েছে। তাই ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকা কঠিন মনে হচ্ছে।’

তবে দেশে ফিরতে পেরে জীবন ভীষণ আনন্দিত, ‘১৭ এপ্রিল অপারেশনের পর থেকে হোটেলে একাকীত্ব বোধ করছিলাম। অনেকটা অসহায় বোধও করছিলাম। তার পর লক ডাউনের কারণে দেশে ফিরতে পারবো কিনা সংশয়ে ছিলাম। এখন দেশে ফিরতে পেরে স্বস্তি বোধ করছি। নিজের কাছে ভালোই লাগছে।’

হোটেলে একাকীত্ব বোধ করলেও জীবনকে বাইরে থেকে সাহায্য করেছেন ভারতীয় দলের ডিফেন্ডার প্রীতম কোটাল ও তার স্ত্রী। কোটালের স্ত্রী তো বেনোপল সীমান্ত পর্যন্ত তাকে পৌঁছে দিয়েছেন। তাই জীবন বলছিলেন, ‘বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও আবাহনী আমাকে দেশে ফিরতে সাহায্য করেছে। এছাড়া প্রীতমের স্ত্রী তো তাদের গাড়িতে করে সীমান্ত পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছে।  আমি আসেল সবার কাছেই কৃতজ্ঞ।'