পিএসজির জয় দেখলেন মেসি

ম্যাচ ফিট হয়ে উঠতে না পারায় মেসির খেলার সম্ভাবনা যে ক্ষীণ সেটি টের পাওয়া গিয়েছিল আগেই। তাই পিএসজির মৌসুম শুরুর দ্বিতীয় ম্যাচে তাকে দেখাও যায়নি। তবে মাঠে উপস্থিত থেকে দলের জয়টা উপভোগ করেছেন ঠিকই। স্ট্রাসবুর্গকে ৪-২ গোলে হারিয়ে নতুন মৌসুমে জয়ের ধারা ধরে রেখেছে লিগ ওয়ান জায়ান্টরা। 

অবশ্য ম্যাচ না খেললেও আড়ম্বর পরিবেশে শুরুতে নতুন রিক্রুটদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে এদিন। মেসির পাশাপাশি ছিলেন দোন্নারুম্মা, সের্হিয়ো রামোসও। তারা অবশ্য কেউই দলে ছিলেন না। দলে ছিলেন না নেইমারও। এর পরেও পিএসজি গোল পেয়ে যায় ৩ মিনিটে। শুরুর গোলটি করেন মাউরো ইকার্দি। ২৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাও অবশ্য প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের ভুলে। এমবাপ্পের শট মাথা দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন আজোক। ২৭ মিনিটে এমবাপ্পের ক্রস থেকে স্কোর ৩-০ করেন হুলিয়ান ড্রাক্সলার। 

তিন গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় স্ট্রাসবুর্গ। কেভিন গামেইরো ও আজোকের গোলে স্কোর হয়ে যায় ৩-২। পিএসজিকে অবশ্য এই অর্ধে কিছুটা অস্বস্তিতে ভুগতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু ম্যাচ শেষের ৯ মিনিট আগে স্ট্রাসবুর্গ ১০ জনের দলে পরিণত হলে ছিটকে যায় ম্যাচ থেকে। উল্টো ৮৬ মিনিটে সারাবিয়ার গোলে স্কোর ৪-২ করে ফেলে পিএসজি।  এর ফলে টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে তারা। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে নিস।

এদিকে লা লিগায় বড় জয়ে মৌসুম শুরু করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। অ্যাওয়ে গেমে আলাভেসকে উড়িয়ে দিয়েছে ৪-১ গোলে। অথচ প্রথমার্ধে সেভাবে চমকই দেখাতে পারেনি লস ব্লাঙ্কোসরা। সবগুলো গোল হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ৪৮ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন বেনজিমা। ৫৬ মিনিটে স্কোর ২-০ করেন নাচো। ৬২ মিনিটে বেনজিমা আবারও জাল কাঁপালে তাদের ব্যবধান হয়ে যায় ৩-০। ৬৫ মিনিটে আলাভেস পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ দিলেও যোগ হওয়া সময়ে আবারও ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় রিয়াল। ৯০+২ মিনিটে গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।