মেয়েদের বয়সভিত্তিক সাফে বাংলাদেশের সাফল্য এসেছে দুবার। একবার অনূর্ধ্ব-১৫, আরেকবার অনূর্ধ্ব-১৮ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এবার ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল। মেয়েরা সাফল্য চাইছে ৫ দেশের এই প্রতিযোগিতাতেও। তাই দৃষ্টিটা থাকছে ট্রফির দিকে। শিষ্যদের ঘিরে লাল-সবুজ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনও ভালো কিছু প্রত্যাশা করছেন।
রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে হবে এই প্রতিযোগিতা। আগামী ১১ ডিসেম্বর নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের লড়াই। তার পর তারা ১৩ ডিসেম্বর ভুটান, ১৭ ডিসেম্বর ভারত ও ১৯ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে। শীর্ষ দুটি দল নিয়ে ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
এই প্রতিযোগিতা সামনে রেখে বাংলাদেশের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে গত ৩০ সেপ্টেম্বর। ২৩ সদস্যের দলে রয়েছেন জাতীয় দলের ১৫জন ফুটবলার। এছাড়া ৬জন আছেন যারা অনূর্ধ্ব-১৫ দলে খেলেছেন। একেবারে নতুন মুখ দু’জন।
মারিয়া মান্দারা এর আগে সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ ফুটবলেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। কিন্তু ঢাকার মাঠে প্রথমবার হতে যাওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ জেতাটা তাদের জন্য এক রকম চ্যালেঞ্জ। তবে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ভীষণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলেছেন, ‘সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ থেকে আমরা অনুশীলন করছি।এর আগে উজবেকিস্তানে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলেছিলাম। ঘরের মাঠের এই টুর্নামেন্টে আমাদের মেয়েরা ভালো খেলে দর্শকদের আনন্দ দেবে এবং চ্যাম্পিয়ন হবে বলেই বিশ্বাস করি।’
দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্দাও আশাবাদী, ‘আগে আমরা যে পারফরম্যান্স দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, সে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।’