স্বাধীনতা কাপ ফুটবলের নকআউট পর্বে দাপট দেখিয়েও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি সাইফ স্পোর্টিং। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়ে অতিরিক্ত সময়ে গোল মিলেছে। তাতেই নবাগত স্বাধীনতা ক্রীড়া চক্রকে ২-০ গোলে হারিয়ে সাইফ স্পোর্টিং জায়গা করে নিয়েছে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে। গোল দুটি করেছেন মারাজ হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।
শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা কাপের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালের শুরু থেকে আধিপত্য বিস্তার করে ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানির শিষ্যরা। তবে একের পর এক আক্রমণে গিয়েও গোলের দেখা পাচ্ছিল না দলটি।
ম্যাচ শুরুর ষষ্ঠ মিনিটেই সাইফ স্পোর্টিংয়ের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। সাজ্জাদের কাট ব্যাক থেকে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের দুর্বল শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন স্বাধীনতা ক্রীড়া চক্রের গোলরক্ষক সারোয়ার জাহান। এরপর ২৫ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ফাহিম। ডান দিক থেকে এমফনের নিচু ক্রসে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল উড়িয়ে মারেন তরুণ এই ফরোয়ার্ড।
বিরতির পরও ম্যাচের লাগাম থাকে সাইফ স্পোর্টিংয়ের হাতে। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি তারা। স্বাধীনতা ক্রীড়া চক্রকে রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। ৪৮ মিনিটে আসরোর গফুরভের দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এরপর খেলা অতিরিক্তি সময়ে গড়ালে সাফল্য পায় সাইফ স্পোর্টিং। ৯১ মিনিটে প্রথম গোল আসে। বাঁ-প্রান্ত থেকে নিহাত জামান উচ্ছ্বাসের ক্রসে মারাজ হোসেন হেডে লক্ষ্যভেদ করেন। এর ৯ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। গফুরভের কাটব্যাক থেকে গোলকিপার সারওয়ার জাহান ঠিকমতো বল তালুবন্দি করতে পারেননি। অন্যপ্রান্তে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম বল পেয়ে প্লেসিং শটে দলকে আরও এগিয়ে নেন।
শেষ ১৩ মিনিট স্বাধীনতা ১০ জন নিয়ে খেলেছে। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে জিল্লুর রহমানকে। তাতে অবশ্য স্কোরলাইন আর বাড়েনি।
আগামী ১৪ ডিসেম্বর সেমিফাইনালে ঐতিহ্যবাহী আবাহনী লিমিটেডের মুখোমুখি হবে সাইফ স্পোর্টিং।