‘অগাস্তো ও কলিনদ্রেস ম্যাচের চিত্র পাল্টে দিয়েছে’

ঢাকায় দীর্ঘ ১৪ বছর পর ডাগ আউটে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতাটা সুখকর হলো না সাইফ স্পোর্টিংয়ের আর্জেন্টাইন কোচ ডিয়েগো আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানির। আবাহনীর কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে তার দল। ২-০ গোলে জেতা ম্যাচটায় স্থানীয়দের পাশাপাশি আবাহনীর বিদেশিরাও নজরকাড়া নৈপুণ্য দেখিয়েছে। মধ্যমাঠে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান রাফায়েল অগাস্তো আর উইংয়ে কোস্টারিকার দানিয়েল কলিনদ্রেস। তাইতো ক্রুসিয়ানির চোখে এই ম্যাচে সেরা এই দুই বিদেশি।

বলতে গেলে ক্রুসিয়ানির প্রত্যাবর্তনের টুর্নামেন্টটা সাইফ স্মরণীয় করতে পারেনি। পারবেই-বা কী করে? আবাহনী যে সুযোগ বুঝে আক্রমণে উঠে গোল করেছে। সেটপিস থেকেই এসেছে দুটি গোল। অগাস্তোর পাশপাশি কলিনদ্রেসও ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। তাই ম্যাচ শেষে এই ‍দু’জনেরই প্রশংসা করলেন সাইফ স্পোর্টিংয়ের কোচ, ‘রাফায়েল ও দানিয়েল বেশ উঁচুমানের খেলোয়াড়। মূলত তারাই ম্যাচের চিত্র পাল্টে দিয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু ফুটবল তো গোলের খেলা। গোল করতে না পারলে ম্যাচ জেতা যায় না।’

মারিও লেমস সবসময় হাসিমুখেই থাকেন। কোচ হিসেবে এই প্রথম আবাহনীকে কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনালে তুললেন। তাইতো ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন এভাবে, ‘যখন আপনি জিতবেন, তখন হাসি থাকবেই। কঠিন ম্যাচ ছিল। সাইফ ভালো খেলেছে, ওদের রক্ষণও বেশ জমাট ছিল। সেটপিস থেকে আমরা দুই গোল করেছি। আমি ভীষণ আনন্দিত।’

ফাইনালে প্রতিপক্ষ যেই আসুক না কেন তাতে কোনও সমস্যা দেখছেন না লেমস, ‘যেই দল আসুক না কেন, ফাইনালে কোন দল পাবো তা নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই।’ পাশাপাশি শিষ্যদের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘কলিনদ্রেস ভালো খেলেছে, তার কোয়ালিটি দেখিয়েছে। যত দিন যাবে, ততই এই দলের সঙ্গে মানিয়ে নেবে। এছাড়া রাফায়েল অবিশ্বাস্য একজন অধিনায়ক, জীবনও ভালো করেছে। আমি সবার পারফরম্যান্সে খুশি।’