ফাইনালে দুই ব্রাজিলিয়ানের আশা ছাড়ছেন না আবাহনী কোচ

চোটের কারণে সেমিফাইনাল খেলতে পারেননি আবাহনীর ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দোরিয়েন্তন গোমেজ। তবে সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে ৩১ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের অভাব অনুভূত হয়েছে। এই চোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেক কৌশলী ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রাফায়েল অগাস্তোর চোটও। যে কারণে ফাইনালে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে এই দু’জনের মাঠে নামাটাই অনিশ্চিত। তবে আকাশি-নীল জার্সিধারীদের পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস আশা ছাড়েননি এখনও। দুই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নিয়েই আগামী ৯ জানুয়ারি ট্রফি ছোঁয়ার মঞ্চে নামতে আশাবাদী এই ৩৫ বছর বয়সী।

৩১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার দোরিয়েন্তন চার গোল করে এখনও ফেডারেশন কাপে এককভাবে শীর্ষে। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট নিয়ে আজ বিকালে একাই হালকা অনুশীলন করেছেন। রাফায়েল অবশ্য অনুশীলন করতে পারেননি। বিশ্রামে ছিলেন পুরোপুরি। সেমিফাইনালে কুঁচকির চোট নিয়ে মাঠ থেকে উঠে যেতে হয়েছে। তবে কুঁচকির এই চোট গুরুতর নয় বলে জানিয়ে লেমস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘রাফায়েলের চোট যতটা মনে করেছিলাম, ততটা গুরুতর মনে হচ্ছে না। চিকিৎসা চলছে। আশা করছি, আমরা তাকেও ফাইনালে পাবো।’

মধ্যমাঠে আবাহনীর খেলাটা তৈরি করে থাকেন রাফায়েল। কোনও সময় ড্রিবলিং করে এগিয়ে যান। কোনও সময় পায়ের কারিকুরিতে প্রতিপক্ষ-ই ছিটকে যায়। অ্যাটাকিং থার্ডে ফাইনাল পাসটাও নিঁখুতভাবে দিয়ে থাকেন। এছাড়া তার পা থেকে বল কেড়ে নেওয়াও বেশ কঠিন। আবাহনী কোচ আশাবাদী হলেও চোট নিয়ে এই ফুটবলার বলেছেন, ‘এই মাঠে খেলা কঠিন। চোটের যা অবস্থা, তাতে আমি ফাইনাল খেলতে পারবো কিনা এখনও জানি না।’

চোট যে শুধু দুই ব্রাজিলিয়ানের তা কিন্তু নয়। চোট পেয়ে আগেই ছিটকে গেছেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার মোহাম্মদ হৃদয়। এছাড়া রাইট ব্যাক সুশান্ত ত্রিপুরাও ব্যথা পেয়েছেন। হৃদয় ফাইনাল মিস করবেন এটা নিশ্চিত। তবে সুশান্তের খেলার সম্ভাবনা আছে। সবকিছু মিলে ফাইনালে প্রায় পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে তৈরি হচ্ছেন আবাহনী কোচ।