ক্লাব বিশ্বকাপ

সৌদি ক্লাবের বাধা পেরিয়ে ফাইনালে চেলসি

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের সঙ্গে বিশ্বের কোনও জায়গার ফুটবলের তুলনা হয় না। ক্লাব বিশ্বকাপে তারই ছাপ পড়ে। বিশ্বের সব কনফেডারেশনের সেরা ক্লাব নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ইউরোপেরই জয়জয়কার। এবারও যেমন ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে শিরোপার আশায় আছে চেলসি। তবে শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে ওঠার পথটা সহজ ছিল না তাদের। সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলাল সহজে ছাড় দেয়নি। যদিও সেই বাধা পেরিয়ে ১-০ গোলের জয়ে ঠিকই ফাইনালে উঠছে ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা।

রোমেলু লুকাকুর একমাত্র গোলে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে চেলসি। ৩২ মিনিটে বেলজিয়ান স্ট্রাইকারের দেওয়া গোলে বিশ্ব শ্রেষ্ঠত্বের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেছে ব্লুরা। তবে দুবাইয়ের মোহাম্মদ বিন জায়েদ স্টেডিয়ামে তাদের বেশ ভুগতে হয়েছে। সৌদি ক্লাব আল-হিলাল কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে তাদের। প্রথম ৪৫ মিনিট চেলসির দাপট দেখিয়ে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও একটির বেশি গোল পায়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আল-হিলালের আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল ব্লুরা। যদিও দুর্ভাগ্য ও চেলসি গোলকিপার কেপার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গোল পাওয়া হয়নি সৌদি ক্লাবটির।

চেলসিকে এই ম্যাচে খেলতে হয়েছে আবার কোচ টমাস টুখেলকে ছাড়া। করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ায় ডাগ আউটে দাঁড়াতে পারেননি এই জার্মান। কোচকে ছাড়া খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ পায় চেলসি। আক্রমণের পসরা সাজিয়ে ব্যস্ত রাখে আল-হিলালের রক্ষণভাগ। গোল পেতে যদিও কিছুটা দেরি হয়েছে। ৩২ মিনিটে তারা এগিয়ে যায় ‍লুকাকুর গোলে। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে কাই হাভার্ট ক্রস করেছিলেন, বল আল-হিলালের ইয়াসের আল-শাহরানির গায়ে লেগে পড়ে গোলমুখে থাকা লুকাকুর পায়ে। মুহূর্তের মধ্যে শট দিয়ে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি এই স্ট্রাইকার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে হাভার্টের একটি চেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আল-হিলালের দুঃখও কম নয়। দুর্দান্ত দুটি সুযোগ নষ্ট হয়েছে তাদের। ৫৫ ও ৭৫ মিনিটে তাদের সমতায় ফেরা হয়নি কেপার অতিমানবীয় সেভে। বিশেষ করে, ৩৫ মিনিটে একহাতে যেভাবে গোল বাঁচিয়েছেন, সেটা ছিল দেখার মতো।

আল-হিলাল বাধা পেরোনোর পর এবার ফাইনালের অপেক্ষায় চেলসি। ক্লাব বিশ্বকাপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাস।